খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
নওগাঁয় একদিনে শিশুসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জেলার রানীনগর, সাপাহার, পোরশা ও মহাদেবপুর উপজেলায় এসব মরদেহ উদ্ধার হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক যুবক, এক বৃদ্ধ, এক শিশু, এক নারী।
পুলিশ জানায়, সকালে রানীনগর উপজেলার পারইল গ্রাম থেকে যুবক মেহেদী হাসান (২৯), সাপাহার উপজেলার পিছলডাঙ্গা (মলপাড়া) গ্রামের একটি খাল থেকে নুরুল ইসলাম (৭৩) নামের এক বৃদ্ধ এবং পোরশা উপজেলার এক আমবাগান থেকে মাদরাসাছাত্রী সুমাইয়া (৯)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মেহেদীর দুলাভাই কামাল হোসেন জানান, কিছুদিন থেকে মেহেদী ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। বুধবার ( ৮ অক্টোবর) মেহেদীর স্ত্রী ঝগড়া লেগে বাবার বাড়িতে চলে যায়। মেহেদী রাতে খাবার খেয়ে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে ঘুমিয়ে যায়। সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুর পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, সাপাহারে বাড়ি থেকে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর নুরুল ইসলাম নামে ৭৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার পিছল ডাঙ্গা গ্রামের মৃত আজির উদ্দিনের ছেলে।
নুরুলের পারিবার জানায়, গতকাল বুধবার ফজরের নামাজ পড়তে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান নুরল ইসলাম। বেলা বাড়লেও বাড়িতে না ফিরলে পরিবারের সদস্যরা সারাদিন বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়রা গ্রামের পাশের একটি খালে তার ভাসমান মরদেহ দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
অন্যদিকে, জেলার পোরশা উপজেলার ছাউড় ইউনিয়নের কুসার পাড়া গ্রাম থেকে ৯ বছরে কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়ালেখা করত। পুলিশের ধারণা, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
এছাড়া, জেলার মহাদেবপুর উপজেলায় ঝুলন্ত অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। এনজিওর ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা গ্রামবাসীর। তবে তার নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ঘটনাগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ জানায়, মরদেহগুলো উদ্ধার করে নওগাঁ আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
খবরওয়ালা/এসআর