শনিবার, ১৮ই এপ্রিল ২০২৬, ৫শে বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ই এপ্রিল ২০২৬, ৫শে বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু সাভারের দত্তপাড়ায় শিশু ধর্ষণ: পলাতক বাড়িওয়ালা বারেক গ্রেপ্তার মাদকসহ আটক এমপির ভাতিজা ও সহযোগী কালীগঞ্জে খুলনায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা কমাতে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করল সরকার চোরাচালান চক্রে মোবাইলসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু

জাতীয়

নিয়োগ ও বদলির চাপতায় অস্থির প্রশাসন

খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: 5শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ১৯ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5

নিয়োগ ও বদলির চাপতায় অস্থির প্রশাসন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে শুরু হয়েছে রদবদল। কোথাও নতুন করে পদায়ন করা হচ্ছে, আবার কাউকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে অন্য জায়গায় বদলি করা হচ্ছে। এমনকি কাউকে নিয়োগ দিয়ে পরে সেটি বাতিলও করা হচ্ছে। এসব নিয়োগ–বদলির ধারাবাহিক কার্যক্রমে প্রশাসনে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থলে স্বস্তি পাচ্ছেন না; চেয়ারে টিকে থাকা নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। কখন বদলি হবে বা বদলি হলে যোগদান করা যাবে কি না—এ নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন অনেকে। জনপ্রশাসন ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়োগ-বদলি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হলেও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা দক্ষতার পরিচয় দিতে পারছেন না। পাশাপাশি কর্মকর্তারাও জনপ্রশাসনের ডেস্ক কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্টদের আস্থায় নিতে পারছেন না, ফলে সমালোচনা বাড়ছে।

আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। ইতোমধ্যে সরকার ৫০ জন জেলা প্রশাসককে (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে, যারা কর্মস্থলে যোগও দিয়েছেন। তবে সমালোচনার কারণে দুজনের নিয়োগ পরে বাতিল করা হয়েছে। এক মাস আগে নিয়োগ পাওয়া এক ডিসিকেও সমালোচনার মুখে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, নিয়োগের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই কেন করা হচ্ছে না; নিয়োগের পর তা বাতিল করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক মর্যাদা কেন ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। কর্মদক্ষতার চেয়ে গত সরকারের সময়ে কারা বঞ্চিত ছিলেন, সেটিও ডিসি নিয়োগে বিবেচনায় আনা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভূমি প্রশাসনে দক্ষতা বা ম্যাজিস্ট্রেসির জ্ঞান অনেকের ক্ষেত্রে বিবেচনায় না নেওয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। শুধু ডিসি নয়, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, উপসচিব, সিনিয়র সহকারী সচিবদের নিয়েও আদেশ জারির পর সংশোধন করা হচ্ছে। আবার অনেকে আদেশ জারি হলেও তদবির করে আগের কর্মস্থলেই রয়ে যাচ্ছেন। জনপ্রশাসন দপ্তর থেকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ জারি করেও তা কার্যকর হচ্ছে না। নিজের কর্মস্থলে টিকে থাকতে সচিব বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দিয়ে তদবির করানোর অভিযোগও রয়েছে।

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন স্তরে রদবদল হতে পারে—এ কারণে প্রতিনিয়ত জনপ্রশাসনে কর্মকর্তাদের যাতায়াত বাড়ছে। কেউ বর্তমান পদে আরও কিছুদিন থাকার চেষ্টা করছেন। মাঠ প্রশাসনে কর্মরত ইউএনও–এসিল্যান্ডরা বদলি হলে কোথায় পাঠানো হবে, কর্মস্থল দূরে হবে না কাছে হবে—এ সমস্ত প্রশ্নে দুশ্চিন্তায় আছেন। জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা নতুনদের জানিয়ে দিচ্ছেন, নির্দেশনা ছাড়া মাঠ পর্যায়ে হাত দেওয়া হবে না। যুগ্মসচিব–উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা খোঁজ রাখছেন তাঁদের সরানো হবে কি না, আর সরালে যেন একটু খেয়াল রাখা হয়—এমন অনুরোধও জানাচ্ছেন অনেকেই। কেউ বলছেন, মাত্র ছয় মাস বা এক বছর হয়েছে, এখনই যেন বদলি না করা হয়। জনপ্রশাসনের ঊর্ধ্বতন শাখাগুলোতে কর্মকর্তাদের ভিড় বাড়ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যাচ নিজেদের ‘দলীয় লেবাস’ তুলে ধরে কিছু কর্মকর্তার রদবদলে প্রভাব খাটাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এতে ভালো কর্মকর্তাদের বদলে সুবিধাভোগী কর্মকর্তারা লাভবান হচ্ছেন, আর মন্ত্রণালয়গুলোতে কাজের স্থবিরতা বাড়ছে।

এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যাচের অভিযোগ শুনে তিনি বিরক্ত। সবাই একে-অন্যকে দোষারোপ করতে আসেন; কেউ আসেন অতীতে কার সঙ্গে কার ছবি আছে তা দেখাতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সব সরকারের সময়ই দক্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রুপ তৈরি হয়; এতে অদক্ষরা লাভবান হন, আর রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত কয়েক দিনে জনপ্রশাসনে প্রতিদিনই কর্মকর্তাদের রদবদলের খোঁজ নিতে দেখা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, হঠাৎ করেই অনেককে বদলি করা হচ্ছে, ফলে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। যাদের দীর্ঘ সময় একই জায়গায় আছেন তাঁদের উদ্বেগ আরও বেশি।

রদবদলের পাশাপাশি পদোন্নতি নিয়েও হতাশা রয়েছে। প্রশাসনের ২৪ ব্যাচের যারা যুগ্মসচিব হতে পারেননি এবং ৩০ ব্যাচের যারা উপসচিব হতে পারেননি—তারা পদোন্নতির আশায় আছেন। নিয়মিত ব্যাচ ২০-এর কর্মকর্তাদের এখনও অতিরিক্ত সচিব করা হয়নি, এতে তাঁদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ জানাচ্ছেন, তাঁরা চার বছর ধরে যুগ্মসচিব হিসেবে কাজ করছেন; এতে একঘেয়েমি চলে এসেছে এবং কাজের উদ্যম কমে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) বদলিকে ঘিরে মাঠ প্রশাসনে অস্থিরতা আরও বেশি। বর্তমানে ৩৪, ৩৫ এবং ৩৬ ব্যাচের কর্মকর্তারা ইউএনও হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। অনেকেই সন্তানদের স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করিয়েছেন, কারও স্বামী-স্ত্রী একই জেলায় কর্মরত। তাই রদবদলের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। যারা দুই বছর পূর্ণ করেছেন, তাঁদের উদ্বেগ বেশি। সূত্র জানায়, দুই বছর পূর্ণ করা ইউএনওদের মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হবে এবং অধিকাংশ ইউএনওর উপজেলা পরিবর্তন হবে। নতুন করে কাকে মাঠে পাঠানো হবে—সে সিদ্ধান্তও শিগগিরই আসবে। একইভাবে মাঠ প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকদের (এডিসি)ও অনেকের জেলা পরিবর্তন হতে পারে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, অতীতেও নির্বাচনের আগে রদবদল হতো, তবে এত সমালোচনা বা অভিযোগ উঠত না। এখন যারা দায়িত্বে আছেন, তাঁরা দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামলাতে পারছেন না। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার আগে প্রশাসন যত স্থির থাকবে, সরকারের জন্য ততই ভালো বলে তিনি মনে করেন। তাঁর মতে, ভালো কর্মকর্তাদের ভালো জায়গায় পদায়ন জরুরি—গুজব নয়, বাস্তব মূল্যায়ন দেখে।

খবরওয়ালা/টিএসএন

মন্তব্য