খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
সময়ের সঙ্গে নির্বাচন প্রচারের ধরণও বদলেছে। মাইকিং, পোস্টারিং, এসএমএসের পর এবার ডিজিটাল মাধ্যমের এক নতুন ধারা এসেছে—নির্বাচনী থিম সং। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবার তাদের বার্তা পৌঁছে দিতে বিশেষভাবে তৈরি একটি থিম সং ব্যবহার করছে। গানের শিরোনাম “ভোট দিবেন কিসে ধানের শীষে”।
গানটি ইউটিউব, ফেসবুকসহ অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়েছে। এতে ব্যবহৃত হয়েছে দলের পরিচিত নির্বাচনী স্লোগান যেমন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’, যা ভোটারদের কাছে দলের রাজনৈতিক দর্শন সরাসরি পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে। গানটির কথা ও সুর দিয়েছেন তানভীর চৌধুরী। কণ্ঠ দিয়েছেন আতিয়া আনিশা ও নিলয়, যারা বাংলা আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী সুরের মেলবন্ধন তৈরি করেছেন।
গানটির ভিডিওতে আবহমান বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শিল্প ও সংস্কৃতি ফুটে উঠেছে। ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, এবং দলের বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রদর্শিত করা হয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গানটি মাঠপর্যায়সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করা হবে। দলের লক্ষ্য, সাধারণ মানুষ এই থিম সংের মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তাকে আরও প্রাণবন্তভাবে গ্রহণ করবে।
নিচের টেবিলে থিম সংয়ে যুক্ত প্রধান তথ্যসংকলন দেখানো হলো:
| বিষয়বস্তু | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| গানের শিরোনাম | ভোট দিবেন কিসে ধানের শীষে |
| কথা ও সুর | তানভীর চৌধুরী |
| কণ্ঠদানকারী | আতিয়া আনিশা, নিলয় |
| প্রকাশ মাধ্যম | ইউটিউব, ফেসবুক, অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম |
| ব্যবহৃত স্লোগান | সবার আগে বাংলাদেশ, অন্যান্য পরিচিত নির্বাচনী স্লোগান |
| প্রদর্শিত বিএনপি নেতারা | জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান |
| বার্তা | বাংলাদেশি সংস্কৃতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতি, নির্বাচনী প্রচার |
থিম সংটি বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। বিএনপির নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, গানটি সাধারণ মানুষের মনে দলের উদ্দেশ্য ও নীতি আরও সহজভাবে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। এটি ডিজিটাল যুগে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছানোর নতুন এক দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরা হচ্ছে।
শুধু রাজনৈতিক বার্তা নয়, গানটির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সংযোগও দৃঢ় হবে—যা আসন্ন নির্বাচনের মাঠপর্যায়ের প্রচারণাকে আরও প্রাণবন্ত করবে।