খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 3শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ | ১৭ই মে ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে বিএনপির মহানগর ও দক্ষিণ জেলা কার্যালয়ে এ অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে ক্ষুব্ধ পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরাই এ হামলার সঙ্গে যুক্ত। শনিবার (১৭ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লা মহানগর এবং দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে অসন্তুষ্ট নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরদিন শুক্রবারও পদপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল এবং পদবঞ্চিতদের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয় শহরের বিভিন্ন এলাকায়।
শনিবার সন্ধ্যায় পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ শেষে কান্দিরপাড়ে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল হোসেন জানান, পূবালী চত্বর থেকে একটি মিছিল এসে বিএনপি অফিসের সামনে পৌঁছালে কয়েকজন যুবক কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। আগুনে অফিসের কিছু আসবাবপত্র পুড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সেখানে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে।
মহানগর ছাত্রদলের সদ্য বিদায়ী সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠু বলেন, “নতুন কমিটি ঘোষণার পর থেকে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা টানা বিক্ষোভ করে আসছিল। এতে পদপ্রাপ্ত এবং বঞ্চিতদের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছায়। তবে কারা অফিসে আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত নই।”
এ ঘটনার নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাত থাকতে পারে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছি।”
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, “বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ এবং অগ্নিসংযোগের বিষয়টি মূলত তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। আমরা তা তদন্ত করে দেখছি। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”
খবরওয়ালা/এন