খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ই আগস্ট ২০২৬, ৬:৯ পিএম
মিথ্যাই যেন বিএনপির প্রধান রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে তথ্যের তোয়াক্কা না করা, নিজেদের ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপানো এবং বারবার একই অসত্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা—বিএনপির রাজনীতিতে যেন এখন সেটিই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জ্বালানি খাতের সাম্প্রতিক বিতর্ক তারই আরেকটি জ্বলন্ত উদাহরণ। জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কাছে জানতে চেয়েছিলেন—প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও কেন আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়নি? যেখানে মন্ত্রী নিজেই ১ মে’র মধ্যে গ্যাস দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
জবাবে মন্ত্রী দাবি করলেন, গত ১৭ বছরে দেশে কোনো গ্যাস অনুসন্ধান কূপই খনন করা হয়নি। একজন মন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এমন দাবি করলেন! কিন্তু সমস্যা হলো—এই বক্তব্যের সঙ্গে সরকারের নিজের দপ্তরের তথ্যেরই মিল নেই। আর এখানেই শেষ নয়।
রাজধানীর মহাখালীতে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রায় একই কথা বললেন। তাঁর দাবি, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচার সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে গ্যাসের একটি নতুন কূপও খনন করতে দেয়নি।
অর্থাৎ মন্ত্রীর মুখে যে বক্তব্য শোনা গেল, সেটিই এবার সরকারপ্রধানের মুখেও। একই দাবি। একই সময়কাল। একই রাজনৈতিক বয়ান।
কিন্তু এবার সমস্যা আরও বড়। কারণ যে তথ্যকে রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে, তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছে সরকারেরই জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নথি।
আর সেই নথি বলছে—গত ১৭ বছরে একটি কূপও খনন হয়নি—এ কথা শুধু ভুল নয়, এটি রাষ্ট্রীয় নথিভুক্ত তথ্যের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার মোট ১৫৫টি কূপ খনন করেছে। হ্যাঁ, ১৫৫টি। একটি নয়। পাঁচটি নয়। দশটি নয়। ১৫৫টি কূপ।
এই সময়ের মধ্যেই আবিষ্কৃত হয়েছে ছয়টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র—সুন্দলপুর, শ্রীকাইল, রূপগঞ্জ, ভোলা নর্থ, জাকিগঞ্জ ও ইলিশা। এগুলো কোনো রাজনৈতিক দলের প্রচারপত্রের তথ্য নয়। এগুলো জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নিজস্ব হিসাব।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ছিল ১ হাজার ৭৪৪ এমএমসিএফডি। দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি অনুসন্ধান এবং আমদানির সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ফল কী হয়েছিল?
কোভিড মহামারির আগে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৭৫০ এমএমসিএফডিতে পৌঁছেছিল। শুধু কূপ খনন নয়, কূপ খননের সক্ষমতাও তৈরি করা হয়েছিল। ২০০৯ সালে দেশে কূপ খননের জন্য একটি রিগও সচল ছিল না। পুরনো একটি রিগ পুনরায় সচল করা হয়। এরপর সংগ্রহ করা হয় আরও চারটি নতুন রিগ। অনুসন্ধানের পরিধিও বাড়ানো হয়।
দ্বিমাত্রিক সিসমিক জরিপ করা হয় ৩১ হাজার ২৮১ লাইন কিলোমিটার এলাকায়। ত্রিমাত্রিক জরিপ করা হয় প্রায় ৬ হাজার ৯৮৬ বর্গকিলোমিটার এলাকায়। সমুদ্রেও অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। গভীর ও অগভীর সমুদ্রে ১২ হাজার ৬৪২ লাইন কিলোমিটার মাল্টিক্লায়েন্ট ২ডি সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হলো—যে সরকার ১৫৫টি কূপ খনন করেছে, ছয়টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে, পুরনো রিগ সচল করেছে, চারটি নতুন রিগ সংগ্রহ করেছে, স্থল ও সমুদ্রে হাজার হাজার কিলোমিটার সিসমিক জরিপ করেছে—তারা নাকি ১৭ বছরে একটি কূপও খনন করেনি!
এটা কি ভুল তথ্য? নাকি ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচার? প্রশ্নটা বিএনপির কাছেই।
কারণ এখানেই শেষ নয়।
২০০৯ সালে দেশে সচল গ্যাসক্ষেত্র ছিল ২৩টি। ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯টি। এলএনজিসহ মোট গ্যাস সরবরাহ ১ হাজার ৭৪৪ এমএমসিএফডি থেকে বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ১০০ এমএমসিএফডির বেশি। গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন ছিল ২ হাজার ১০২ কিলোমিটার। ২০২৪ সালে সেটি হয়েছে ৩ হাজার ৬৫৭ কিলোমিটার। অর্থাৎ নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫৫৫ কিলোমিটার পাইপলাইন।
এবার আসা যাক এলএনজিতে।
২০০৯ সালে বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহের কোনো ব্যবস্থাই ছিল না। পরবর্তীতে গড়ে ওঠে এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থা। এখন সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি গ্যাস। অর্থাৎ যে এলএনজি অবকাঠামো আজ দেশের গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, সেটিও গত ১৭ বছরে তৈরি হয়েছে।
আর মজার বিষয় হলো—আজকের গ্যাস সংকটের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, বিদেশ থেকে জাহাজে আনা গ্যাসের একটি ভাসমান স্টোরেজে দুর্ঘটনার কারণে সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে এবং পরে কারিগরি ত্রুটি সারানো হয়েছে। অর্থাৎ তাঁর নিজের বক্তব্য অনুযায়ী সংকটের তাৎক্ষণিক কারণ হলো এলএনজি সরবরাহ অবকাঠামোর কারিগরি সমস্যা।
তাহলে ১৭ বছর আগে কতটি কূপ খনন হয়েছিল বা হয়নি—সেটি দিয়ে আজকের এই নির্দিষ্ট সংকটের ব্যাখ্যা কীভাবে হয়? একদিকে বলা হচ্ছে, বর্তমান সংকটের কারণ ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি। অন্যদিকে রাজনৈতিক বক্তব্যে বলা হচ্ছে—গত ১৭ বছরে কোনো কূপ খনন হয়নি। দুটো কথা পাশাপাশি রাখলেই বোঝা যায়, এখানে জ্বালানি সংকটের সমাধান খোঁজার চেয়ে রাজনৈতিক দায় চাপানোর চেষ্টা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এবার তেল ও এলপিজির হিসাবটাও দেখা যাক।
২০০৯ সালে দেশে পেট্রোলিয়াম পণ্য সরবরাহ ছিল ৩৩ লাখ ২৬ হাজার মেট্রিক টন। ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৬৯ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন। তেল মজুদের সক্ষমতা ৮ লাখ ৯৩ হাজার মেট্রিক টন থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন। ২০০৯ সালে জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য কোনো পাইপলাইন ছিল না। ২০২৪ সালে সেটি দাঁড়িয়েছে ৬২৪ কিলোমিটারে।
আর এলপিজি?
৪৫ হাজার মেট্রিক টন থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি। প্রায় ৩০ গুণ। এই পরিসংখ্যানগুলো কোনো আওয়ামী লীগ নেতার মুখের কথা নয়। এগুলো জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নিজস্ব নথিতে থাকা তথ্য। ২০২৪ সালের আগস্টে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত সরকারি তথ্যেই এগুলো লিপিবদ্ধ রয়েছে।
তাহলে প্রশ্নটা খুব সহজ— নিজেদের দপ্তরের তথ্য কি বিএনপি সরকার পড়ে না? নাকি পড়ে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রয়োজনের কারণে ভুলে যায়? আরও ভয়ংকর প্রশ্ন হলো—সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত যদি একই ভুল তথ্য পৌঁছে যায়, তাহলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কোন তথ্যের ভিত্তিতে?
শুধু অতীতের হিসাবই নয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও ছিল।
২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম চলছিল। লক্ষ্য ছিল ২০২৫ সালের মধ্যে সেখান থেকে ৬১৮ এমএমসিএফডি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা। আর ২০২৮ সালের মধ্যে ১০০টি কূপ খনন, ওয়ার্কওভার ও ডিপ ড্রিলিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ৯৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল। প্রথম ৫০টি কূপের অধিকাংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছিল এবং সেখান থেকে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্তও হয়েছে। এরপরের প্রকল্পগুলো বাতিল করা হয়েছে ইউনূস সরকারের সময়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে—যে কাজ চলছিল, যে প্রকল্পের মাধ্যমে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল, যে অবকাঠামো ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছিল, সেগুলো বাতিল করার পরও যদি বলা হয় ‘আগের সরকার কিছুই করেনি’, তাহলে সেটিকে আর কী বলা যায়? রাজনীতি? নাকি ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা?
বিএনপির রাজনীতির আরেকটি অদ্ভুত দিক হলো—তাদের নিজেদের অতীতের হিসাব নিয়ে তারা খুব একটা কথা বলতে চায় না। বর্তমান জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। সেই সময়ের জ্বালানি খাতের অন্যতম বিতর্কিত অধ্যায় ছিল নাইকো চুক্তি।
নাইকো চুক্তিকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগ এবং বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি আন্তর্জাতিক সালিশি প্রক্রিয়াতেও আলোচিত হয়েছে। সেই ইতিহাসের দায় এড়িয়ে এখন যদি ২০০৯-২০২৪ সময়কালের জ্বালানি খাত নিয়ে এমন দাবি করা হয়, যা সরকারের নিজের নথির সঙ্গে মেলে না—তাহলে প্রশ্ন উঠবেই।
কারণ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—ইতিহাসের নিজের কোনো রাজনৈতিক দল থাকে না। নথি থাকে, পরিসংখ্যান থাকে, তারিখ থাকে, প্রকল্প থাকে, কূপ থাকে, গ্যাসক্ষেত্র থাকে, আর থাকে বাস্তবতার প্রমাণ।
১৫৫টি কূপকে মুছে ফেলার জন্য একটি রাজনৈতিক বক্তব্য যথেষ্ট নয়।
ছয়টি নতুন গ্যাসক্ষেত্রকে অস্বীকার করার জন্য একটি বক্তৃতা যথেষ্ট নয়।
৩১ হাজার ২৮১ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক জরিপকে অস্বীকার করার জন্য মঞ্চের মাইক যথেষ্ট নয়।
৬ হাজার ৯৮৬ বর্গকিলোমিটার ৩ডি জরিপকে মুছে ফেলার ক্ষমতাও কোনো রাজনৈতিক স্লোগানের নেই।
আর ১ হাজার ৫৫৫ কিলোমিটার নতুন গ্যাস পাইপলাইন তো চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
অর্থাৎ এখানে বিতর্কটা আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি নয়। বিতর্কটা হলো—তথ্য বনাম মিথ্যা। রাষ্ট্রীয় নথি বনাম রাজনৈতিক বয়ান। বাস্তবতা বনাম প্রচারণা।
বিএনপি চাইলে বলতে পারে—শেখ হাসিনা সরকারের সময় গ্যাস অনুসন্ধান যথেষ্ট হয়নি। বলতে পারে—আরও বেশি কূপ খনন করা দরকার ছিল। বলতে পারে—সমুদ্রভিত্তিক অনুসন্ধানে ব্যর্থতা ছিল। বলতে পারে—দেশীয় গ্যাসের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়ানো উচিত ছিল। এসব রাজনৈতিক সমালোচনার সুযোগ আছে।
কিন্তু ১৫৫টি কূপ খননকে ‘একটিও কূপ খনন হয়নি’ বলা কোনো রাজনৈতিক মতামত নয়। এটি একটি তথ্যগত দাবি। আর তথ্যগত দাবির বিচার হয় নথি দিয়ে। সেই নথিই যখন দাবিটিকে মিথ্যা প্রমাণ করে, তখন প্রশ্নটা আরও কঠিন হয়ে যায়—
বিএনপি কি সত্যিই জানে না?
নাকি তারা জানে, কিন্তু জনগণকে জানতে দিতে চায় না? রাজনীতিতে মিথ্যা নতুন কিছু নয়। কিন্তু যখন মিথ্যাকে রাষ্ট্রীয় নীতির ব্যাখ্যা হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন তার পরিণতি ভয়াবহ।
কারণ গ্যাসের সংকট মিথ্যা দিয়ে দূর হয় না। কূপ খনন হয় না মিথ্যা দিয়ে। গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় না মিথ্যা দিয়ে। পাইপলাইন বসে না মিথ্যা দিয়ে। আর সবচেয়ে বড় কথা—জনগণের চুলায় গ্যাসও আসে না মিথ্যা দিয়ে।
তাই বিএনপি যদি সত্যিই জ্বালানি সংকটের সমাধান করতে চায়, তাহলে প্রথম কাজ হওয়া উচিত রাজনৈতিক বক্তৃতা নয়—নিজেদের বক্তব্যের তথ্য যাচাই করা। আর যদি তারা অতীতের সরকারকে দায়ী করতেই চায়, করুক। কিন্তু দায় চাপানোর আগে অন্তত নিজেদের দপ্তরের নথিটা একবার পড়ে নিক।
কারণ ১৫৫টি কূপের দেশে দাঁড়িয়ে ‘একটিও কূপ খনন হয়নি’ বলা শুধু একটি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। এটি জনগণের স্মৃতিকে অপমান করারও শামিল। আর জনগণ হয়তো সব রাজনৈতিক বক্তৃতা ভুলে যেতে পারে। কিন্তু সরকারি নথিতে লেখা সংখ্যাগুলো মুছে ফেলা এত সহজ নয়।
প্রশ্নটি তাই এখন আর শুধু জ্বালানি সংকটের নয়। প্রশ্ন হলো—
ক্ষমতায় বসে বিএনপি কি তথ্য দিয়ে দেশ চালাবে, নাকি মিথ্যা দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতার ব্যাখ্যা তৈরি করবে? এই প্রশ্নের উত্তর এখন বিএনপিকেই দিতে হবে।
মন্তব্য