খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ আগস্ট ২০২৫
বেসরকারি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাকে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত ১০টি টায়ার দেওয়ার ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দুই কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে।
চাকরিচ্যুত ব্যক্তিরা হলেন – ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট সুপারভাইজার আরমান হোসেন ও স্টোর হেলপার সামসুল হক।
বৃহস্পতিবার বিমানের প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদপ্তরের পাঠানো চিঠিতে তাদের অবসানের বিষয়টি জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান করপোরেশন কর্মচারী প্রবিধানমালার ৫২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আপনার চাকরি অবিলম্বে অবসান করা হল। নোটিশ পে বাবদ একমাসের সর্বসাকুল্যে বেতন দেওয়া হল। চাকরি সংক্রান্ত সকল আইনানুগ পাওনাদি (যদি থাকে) অর্থ পরিদপ্তর যথারীতি পরিশোধ করবে।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এ বি এম রওশন কবীর বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
চাকরিচ্যুতির ঘটনার পটভূমিতে জানা যায়, ১৬ আগস্ট রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্সের পাশের অকশন শেডে ১০টি ‘আনসার্ভিসেবল টায়ার’ খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে আরমান হোসেন ও সামসুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় যে চাকার ব্যবহার ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সে কর্মরত শফিকুল ইসলামকে দেওয়া হয়েছে, তবে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি।
বিমানের সহকারী ব্যবস্থাপক (নিরাপত্তা) মোশারেফ হোসেন বিমানবন্দর থানায় জিডি দায়ের করেন। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটির কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ‘চাকা চুরির’ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।
এর আগে সম্প্রতি এক মাসের মধ্যে অন্তত আটবার বিমানের বোয়িং উড়োজাহাজে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিয়েছে, যার ফলে ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে চাকার এই ঘটনা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার ওপর প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
খবরওয়ালা/শরিফ