জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার জানিয়েছেন, এসিডে রোজিনার শরীরের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
রোজিনার ভাই মো. জামাল জানান, তাঁর বোন রাজধানীর ভাটারার নতুন বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। প্রতিদিনের মতো সোমবারও কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন রোজিনা। রাত ৮টার দিকে বাসায় ফেরার পথে তাঁর প্রাক্তন স্বামী মো. শরীফ তাঁকে লক্ষ্য করে এসিড নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ করেন জামাল।
এ ঘটনায় রোজিনার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। রাত ১০টার দিকে তাঁকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁর দগ্ধ অংশ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করেন।
এসিড নিক্ষেপের মতো সহিংস ঘটনা ভুক্তভোগীর শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ও সামাজিক সংকটও তৈরি করতে পারে। দগ্ধ ব্যক্তির ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা, ক্ষত পরিচর্যা এবং প্রয়োজনে পরবর্তী পুনর্বাসন গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
তবে রোজিনার ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো বক্তব্য, মামলা দায়ের কিংবা অভিযুক্ত শরীফের গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।


