খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকার বিভিন্ন নির্বাচনী কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ আজ সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও ভোটার উপস্থিতি কম চোখে পড়েছে। বিবিসি সংবাদদাতা সকালে রাজধানীর কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন, যেখানে দেখা গেছে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হলেও ভোটারদের সংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম।
পরিদর্শিত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে:
রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়
লালমাটিয়া সোসাইটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ
গ্রাফিকস আর্ট ইন্সটিটিউট
রেসিডেন্সিয়াল মিডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
ঢাকা সিটি কলেজ
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সকাল ৭টা ৩০ থেকে ১০টা ৩০ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল স্বল্প। সিটি কলেজের নারীদের কক্ষে তিন ঘণ্টায় মাত্র ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে, আর পুরুষদের কক্ষে ভোট হয়েছে ৯ শতাংশ। অন্যান্য কেন্দ্রগুলোতে চার ঘণ্টার মধ্যে ভোটার উপস্থিতি তিন থেকে দশ শতাংশের মধ্যে দেখা গেছে। এছাড়া দীর্ঘ লাইনের কোনো উল্লেখযোগ্য চিত্র দেখা যায়নি।
নিম্নে ভোটকেন্দ্র অনুযায়ী প্রাথমিক ভোটার উপস্থিতির তথ্য সংক্ষেপে টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| ভোটকেন্দ্র | সময়কাল | নারী (%) | পুরুষ (%) | মোট উপস্থিতি (%) |
|---|---|---|---|---|
| ঢাকা সিটি কলেজ | ৩ ঘণ্টা | ৮ | ৯ | ৮.৫ |
| রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় | ৪ ঘণ্টা | ১০ | ১০ | ১০ |
| লালমাটিয়া সোসাইটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ | ৩ ঘণ্টা | ৯ | ১০ | ৯.৫ |
| গ্রাফিকস আর্ট ইন্সটিটিউট | ৪ ঘণ্টা | ১০ | ১১ | ১০.৫ |
| রেসিডেন্সিয়াল মিডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ | ৩ ঘণ্টা | ১০ | ৯ | ৯.৫ |
| মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় | ৪ ঘণ্টা | ১১ | ১০ | ১০.৫ |
প্রিজাইডিং অফিসারদের মতে, সাধারণত সকাল দুই-তিন ঘণ্টায় ভোটার উপস্থিতি কম থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের মধ্যে কোনোরকম বিশৃঙ্খলা নেই এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যথেষ্ট তৎপর। ভোট কেন্দ্রগুলোতে শান্তি ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকায় ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পারছেন। তবে সকালের পর্যবেক্ষণে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম, যা নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
এই পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, ভোটার সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বাড়াতে আরও প্রচেষ্টা প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে সকালে কম উপস্থিতি থাকলেও বিকেলের দিকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।