খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 19শে আষাঢ় ১৪৩২ | ৩ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ও গৌরীপুরে নিখোঁজের পরদিন দুই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে ত্রিশাল উপজেলার নিঘুরকান্দা গ্রামের একটি পুকুর ও গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের কবিরাজবাড়ি গ্রামের কচুক্ষেত থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- গৌরীপুরের কাউলাটিয়া গ্রামের আব্দুল গণির মেয়ে হোসনে আরা (৩০) ও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার তাঁতখানা গ্রামের আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন হোসনে আরা। মঙ্গলবার (১লা জুলাই) রাতে তাকে বাসায় পাওয়া যাচ্ছিল না। এমতাবস্থায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খুঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাওয়া যায় নি। পরদিন বুধবার দুপুরের দিকে মরদেহ কবিরাজ বাড়ি গ্রামের কচুক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
অন্যদিকে মনির হোসেন ত্রিশালের হরিরামপুর ইউনিয়নের নিঘুরকান্দা গ্রামে তার ভগ্নিপতি বাড়িতে ২৫ বছর যাবত বসবাস করছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন মনির। তাকে রাতভর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পায়নি তার পরিবার। পরদিন বুধবার দুপুরের দিকে স্থানীয়রা পুকুরে এক ব্যক্তির মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মনিরের মরদেহ উদ্ধার করে।
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিদারুল ইসলাম বলেন, কলাগাছের শুকনো বাকল মৃত মনিরের গলায় প্যাঁচানো ছিল, যা হত্যার আলামত হিসেবে ধারনা করা যাচ্ছে। ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মদ বলেন, মনির মানসিকভাবে অসুস্থসহ নেশাগ্রস্ত ছিল। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
খবরওয়ালা/টিএস