খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ঘিরে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির আশঙ্কায় প্রস্তুতি নিচ্ছে তুরস্ক। দেশটি ইতোমধ্যে ইরানের সঙ্গে যৌথ সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স, তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি গোপন সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্র জানায়, এখনো পর্যন্ত ইরান থেকে তুরস্কে শরণার্থীর কোনো ‘অস্বাভাবিক’ প্রবাহ দেখা না গেলেও সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে উন্নত রাডার ও অস্ত্র ব্যবস্থা। তুরস্ক স্থানীয়ভাবে বহুস্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি সমন্বিত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে।
রয়টার্সকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার যখন ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়, তখন তুরস্ক তাদের ‘দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল’ যুদ্ধবিমানগুলো আকাশে পাঠায় টহলের জন্য। উদ্দেশ্য ছিল, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান যদি তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘন করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
যদিও তুরস্ক এখন পর্যন্ত এই সংঘাতে সরাসরি কোনো পক্ষ নেয়নি, তবে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ে বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আঙ্কারা আগেই সতর্ক করে জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে কোনো ধরনের সামরিক সংঘাত তাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
চলমান সংকট নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছেন। তুর্কি কূটনৈতিক সূত্র বলছে, যুদ্ধ যাতে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য আঙ্কারা সক্রিয়ভাবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স
খবরওয়ালা/আরডি