খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা করতে গিয়ে রাজধানীর শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়েছেন আন্দোলনরত একদল শিক্ষার্থী। বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে আসার পর শিক্ষা ভবনের সামনে তাদের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর সেখানেই অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, বিকেল প্রায় ৪টার দিকে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অতিক্রম করে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছান। তবে এর আগেই ভবনের সামনের সড়কে পুলিশ ব্যারিকেড স্থাপন করে। ফলে মিছিলটি আর সামনে এগোতে পারেনি এবং ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান নেয়।
আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাদের কর্মসূচির পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেন। তারা দাবি করেন, শিক্ষা খাতের বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের দীর্ঘদিনের অসন্তোষ রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রার কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন।
অন্যদিকে, শিক্ষা ভবন এবং এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভবনের প্রবেশপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে এগোতে বাধা দেন। তবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ বা সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।
শিক্ষা ভবন দেশের শিক্ষা প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে আন্দোলন বা সমাবেশ ঘিরে সাধারণত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ব্যারিকেড স্থাপন এবং অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের নজিরও রয়েছে।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনেই অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন এবং তাদের দাবির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা তখনও জানানো হয়নি।