খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। সকাল থেকে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। তবে দাপ্তরিক কার্যক্রম ও নিয়োগ পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলছে।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত তিন শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম নগরীর দুটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন আইসিইউতে রয়েছেন। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় এখনো বলবৎ রয়েছে ১৪৪ ধারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মমতাজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গতকালের সংঘর্ষের ঘটনায় আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল ক্লাস পরীক্ষা হবে কি না তা বিকালের আগেই জানানো হবে। তবে শিক্ষকদের বাস নিয়মিত সূচীতে চলাচল করছে।’
সোমবার সকালে ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট, কলা অনুষদ, শহীদ মিনার, আইন অনুষদ ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ এলাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। তবে শিক্ষার্থীদের শাটল ট্রেন ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাস স্বাভাবিক নিয়মে চলাচল করছে।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু কাওছার মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। কাউকে আটকও করা হয়নি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা খরচ বিশ্ববিদ্যালয় বহন করছে।’
এর আগে শনিবার রাত ১২টা থেকে রবিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে প্রায় ২০০ জন আহত হন। এর মধ্যে ১৯০ জনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ছাত্রাবাসে এক ছাত্রী প্রবেশ নিয়ে দারোয়ান কর্তৃক মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
খবরওয়ালা/শরিফ