খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 27শে মাঘ ১৪৩২ | ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ৭২ ঘণ্টার জন্য সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। নিষেধাজ্ঞা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে শুরু হয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত প্রযোজ্য থাকবে।
বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচনের দিন ও তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে জনসাধারণের সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার জন্য ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস এবং ট্রাকের চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার ব্যতিক্রম রয়েছে বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত যানবাহনের জন্য। যেমন:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের যানবাহন
জরুরি সেবাকাজে ব্যবহৃত যানবাহন (স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ, সংবাদপত্র ইত্যাদি)
বিমানবন্দর যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহন (টিকিট বা প্রমাণপত্র সহ)
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন
নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্বাচনী এজেন্ট ও প্রার্থীর ছোট যানবাহন, সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষকও অনুমোদনের সঙ্গে যানবাহন চালাতে পারবে। এছাড়াও জাতীয় মহাসড়ক ও প্রধান সড়কে জরুরি ও নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের চলাচল শিথিলযোগ্য।
নিচের টেবিলে প্রধান নিষিদ্ধ যানবাহন ও প্রযোজ্য সময়সীমা সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
| যানবাহনের ধরন | নিষেধাজ্ঞার সময়কাল | ব্যতিক্রম/শিথিলের শর্ত |
|---|---|---|
| মোটরসাইকেল | ১০ ফেব্রুয়ারি ১২টা – ১৩ ফেব্রুয়ারি ১২টা | আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জরুরি সেবা, নির্বাচনী কাজে অনুমোদিত |
| ট্যাক্সি, পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক | ১১ ফেব্রুয়ারি ১২টা – ১২ ফেব্রুয়ারি ১২টা | জরুরি সেবা ও নির্বাচনী কাজে অনুমোদিত |
| নির্বাচনী এজেন্ট/প্রার্থী যানবাহন | প্রযোজ্য অনুমোদন সাপেক্ষে | রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন |
| সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক যানবাহন | প্রযোজ্য অনুমোদন সাপেক্ষে | রিটার্নিং অফিসার বা নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন |
প্রজ্ঞাপনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারদেরও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যাতে তারা প্রয়োজনমতো অন্যান্য যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করতে পারেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের সময় জনসাধারণের নিরাপত্তা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।