বগুড়ার আদমদীঘিতে মাত্র ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে দুই বন্ধু পালাক্রমে ধ/র্ষ//ণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে। আদমদীঘি থানার পুলিশ রবিবার রাতে ঘটনাস্থল থেকে আসামীদের আটক করে। ধ/র্ষ/ণে/র শিকার ছাত্রীকে সোমবার আদালতে ডাক্তারি পরীক্ষা ও জবানবন্দী গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ অনুসারে, আদমদীঘি উপজেলার বড়আখিড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ওই কিশোরী হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে। ৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রাইভেট পড়াশোনার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়া সময়ে তাকে কৌশলে ডেকে নেওয়া হয়। আসামি সজল দাস ওরফে সঞ্জয় (১৭) তাকে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে ডেকে নেয়। সেখানে পূর্বপ্রস্তুত অবস্থানে ছিলেন অপর আসামী শিপন কুমার সরকার (২০)।
পরে তারা ওই কিশোরীকে একটি কক্ষে নিয়ে মুখ বেঁধে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধ/র্ষ/ণ করে। ধ/র্ষ/ণ শেষে তারা কিশোরীকে হুমকি দেয় যে, যদি তিনি কাউকে এই ঘটনা জানান, তাহলে তাদের হত্যা করা হবে এবং আগেই ধারণকৃত ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করা হবে।
পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ছাত্রীটির মা বাদী হয়ে ধ/র্ষ/ণ/কারীদের নামে আদমদীঘি থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে।
আদমদীঘি থানার ওসি আতাউর রহমান জানিয়েছেন, “ধ/র্ষ/ণে/র শিকার ছাত্রী এবং অভিযুক্তদের ডাক্তারি পরীক্ষা ও জবানবন্দী গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে।”
নিচের টেবিলে ঘটনা ও আসামিদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো:
| তথ্য বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| ভিকটিম | ১৪ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী, বড়আখিড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪র্থ শ্রেণি |
| ধ//র্ষ/ণের তারিখ ও সময় | ৯ জানুয়ারি, সকাল ১১:৩০ টা |
| ঘটনা স্থান | বড়আখিড়া মন্ডলপাড়া, আদমদীঘি উপজেলা |
| আসামী ১ | শিপন কুমার সরকার, ছেলে, বয়স ২০, ছেলে শ্রী নেপাল চন্ত্র সরকারের |
| আসামী ২ | সজল দাস ওরফে সঞ্জয়, ছেলে, বয়স ১৭, ছেলে শ্রী সত্যনাথ দাসের |
| মামলার তারিখ | ১৮ জানুয়ারি, বাদী ছাত্রীর মা |
| পুলিশি ব্যবস্থা | দুই আসামী গ্রেফতার, ভিকটিম ও আসামিদের ডাক্তারি পরীক্ষা ও জবানবন্দী গ্রহণ আদালতে পাঠানো |
এ ঘটনায় স্থানীয় সমাজে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কিশোরী সুরক্ষা ও স্কুলপাড়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।



