খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 19শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ৩ই ডিসেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপের বাইরে থাকা ১৯টি দেশের নাগরিকদের সব ধরনের অভিবাসন আবেদন স্থগিত করেছে। এর আওতায় গ্রিন কার্ড ও ন্যাশনালাইজেশন (নাগরিকত্ব) প্রক্রিয়াও বন্ধ থাকবে। প্রশাসন জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখিত দেশগুলোর ওপর জুন মাসে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে আগের নিষেধাজ্ঞার পরিধি আরও বিস্তৃত হলো। যেসব দেশের নাগরিকদের আবেদন স্থগিত করা হয়েছে, সেগুলো হলো আফগানিস্তান, সোমালিয়া, বার্মা, চাড, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, এরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।
নীতিতে বলা হয়েছে, এসব দেশের স্থগিত থাকা আবেদন পুনরায় পর্যালোচনার আওতায় আসবে। প্রয়োজন হলে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার কিংবা পুনরায় সাক্ষাৎকার দিতে হবে। সরকারি ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াশিংটনে আফগান এক নাগরিক কর্তৃক মার্কিন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনাকেই নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বৃদ্ধির উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়েছে। ওই ঘটনায় একজন নিহত হন এবং আরেকজন গুরুতর আহত হন।
এ ছাড়া সম্প্রতি সোমালিয়ার নাগরিকদের বিষয়ে প্রশাসনের কড়া অবস্থানের কথাও উল্লেখ রয়েছে। আমেরিকান ইমিগ্রেশন লইয়ারস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশের নাগরিকদের ন্যাশনালাইজেশন অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার এবং স্ট্যাটাস পরিবর্তনের সাক্ষাৎকার বাতিল করা হয়েছে।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে। বড় শহরগুলোতে ফেডারেল এজেন্ট পাঠানো, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এবার বৈধ অভিবাসন কাঠামোতেও কঠোরতার দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন বলছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বৈধ অভিবাসন সীমিত করাই মূল লক্ষ্য এবং এর জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতিকে দায়ী করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স
খবরওয়ালা/টিএসএন