খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: 22শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ৬ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছয় বছর পর চীন সফরে যাচ্ছেন। এই সফরের ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ভারতের একসময়ের কৌশলগত মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক চরম টানাপড়েনের মধ্যে রয়েছে। মোদির সফরের সময় চীনেই অবস্থান করবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাত দিয়ে জানা গেছে, চীনের তিয়ানজিন শহরে আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনে অংশ নিতেই মোদি চীন সফরে যাচ্ছেন। তিনি সর্বশেষ চীন সফর করেছিলেন ২০১৯ সালে। ২০২০ সালে হিমালয় সীমান্তে ভারত-চীন সেনাদের সংঘর্ষের পর এই প্রথম তিনি বেইজিং যাচ্ছেন।
মোদির এই সফরকে কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হওয়ার পর নয়াদিল্লি হয়তো বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।
বিশ্ব রাজনীতিতে চীন, রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে সমীকরণ নতুন মোড় নিচ্ছে। এই তিন দেশের শীর্ষ নেতার চীন সফর একত্রে হওয়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কিছুদিন আগে এসসিওর মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে ভারত ওই জোটের যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর না করায় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
চলমান এসসিও সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত ইস্যু প্রাধান্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, ভারত-চীন সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে এবং সংলাপের ধারায় ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে মোদির অপ্রাতিষ্ঠানিক বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে মোদি ও সি চিন পিং মুখোমুখি হয়েছিলেন। সেই বৈঠকের পর সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমনে উভয় দেশ নতুন করে উদ্যোগ নেয়।
খবরওয়ালা/এন