খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 4শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
সরকার ঘোষণা করেছে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান একুশে পদক-২০২৬-এর জন্য নয়জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং একটি সঙ্গীত ব্যান্ডের নাম। এই পদকটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর প্রদান করা হয়।
২০২৬ সালের একুশে পদকের প্রাপ্তকারীদের মধ্যে রয়েছেন:
| নাম | ক্ষেত্র | সংক্ষিপ্ত পরিচিতি |
|---|---|---|
| ফারিদা আক্তার ববিতা | চলচ্চিত্র | বর্ষীয়ান অভিনেত্রী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃত |
| অধ্যাপক মোঃ আবদুস সাত্তার | চিত্রকলা | সুপরিচিত শিল্পী ও শিক্ষক, বহু প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন |
| মারিনা তাবাসসুম | স্থাপত্য | আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থপতি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নির্মাতা |
| আয়ুব বাচ্চু | সঙ্গীত | দেশের প্রখ্যাত গিটারিস্ট ও গায়ক, ব্যান্ড সংগীতের পথপ্রদর্শক |
| আরথি আহমেদ | নৃত্য | বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নৃত্য প্রদর্শনীর স্বীকৃত নৃত্যশিল্পী |
| ইসলাম উদ্দিন পালাকার | পালাগান | লোকসংগীত ও ঐতিহ্যবাহী পালাগানে অবদানের জন্য পরিচিত |
| শফিক রহমান | সাংবাদিকতা | দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতা ও প্রকাশনাক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন |
| অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার | শিক্ষা | শিক্ষাবিদ ও গবেষক, শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান |
| তেজোশ হালদার জস | ভাস্কর্য | সমসাময়িক ভাস্কর্যশিল্পে দেশের পরিচিত মুখ |
| ওয়ারফেজ | সঙ্গীত ব্যান্ড | বাংলাদেশের ব্যান্ড সঙ্গীতের অন্যতম পথপ্রদর্শক দল |
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি হ্যান্ডআউট অনুযায়ী, এই পদকটি প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ২০২৬ সালে এবার চলচ্চিত্র, চিত্রকলা, স্থাপত্য, সঙ্গীত, নৃত্য, লোকসংগীত, সাংবাদিকতা, শিক্ষা ও ভাস্কর্যসহ মোট ৯টি ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করা হয়েছে।
সঙ্গীতশিল্পী আয়ুব বাচ্চু এবং ব্যান্ড ওয়ারফেজ-কে সম্মানিত করা হয়েছে বাংলাদেশের আধুনিক সঙ্গীত জগতের অসামান্য অবদানের জন্য। শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও শিল্পক্ষেত্রে অধ্যাপক মোঃ আবদুস সাত্তার তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন।
এবারের পদক প্রদান অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানায়, একুশে পদক শুধুমাত্র সম্মানজনক পুরস্কার নয়, এটি দেশের সংস্কৃতি, শিক্ষা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রাপ্তকারীরা দেশের সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত ও সৃজনশীল অগ্রগতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
মোটকথা, একুশে পদক-২০২৬-এর এই ঘোষণার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিভাবান নাগরিকদের সম্মানিত করে বাংলাদেশের সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করা হয়েছে।