ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (০২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ মুলাইপত্তন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাকির হোসেনের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সময় জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মুলাইপত্তন এলাকার বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন (৩৮) এবং তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৫)। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো তাদের হেফাজতে ছিল বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মো. জাকির হোসেনের বসতঘর থেকে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকেই জাকির হোসেন ও তাসলিমা বেগমকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশের দাবি, এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সরবরাহ ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নিচে অভিযানের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো—
| বিষয় |
তথ্য |
| স্থান |
মুলাইপত্তন, টবগী ইউনিয়ন, বোরহানউদ্দিন, ভোলা |
| অভিযানের সময় |
শনিবার (০২ মে) সন্ধ্যা |
| গ্রেপ্তার |
২ জন |
| গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম |
মো. জাকির হোসেন (৩৮), তাসলিমা বেগম (৩৫) |
| উদ্ধারকৃত আলামত |
৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট |
| আইনগত ব্যবস্থা |
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা |
সংশ্লিষ্ট থানা জানিয়েছে, মাদক সংক্রান্ত অপরাধ দমনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এ ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই টবগী ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে এই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক উদ্ধার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এলাকায় মাদক বিস্তার রোধে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, তল্লাশি ও অভিযান জোরদার রাখার কথাও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।