খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ই আগস্ট ২০২৬, ২:১৯ পিএম
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ১০০ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০টি ট্রাকে এই আমদানি সম্পন্ন হয়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি করা মরিচ দ্রুত দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পৌঁছে দেওয়া গেলে সরবরাহ বাড়বে এবং এর প্রভাব পড়তে পারে খুচরা বাজারের দামে।
বন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আমদানি করা প্রতিটি ট্রাকে প্রায় ৯ থেকে ১১ টন করে কাঁচা মরিচ ছিল। সে হিসাবে প্রথম চালানেই প্রায় এক লাখ কেজি বা ১০০ টন মরিচ দেশে এসেছে। ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা এসব পণ্য প্রয়োজনীয় শুল্ক পরিশোধ এবং কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারি বাজারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ভোমরা কাস্টম হাউসের কমিশনার মুশফিকুর রহমান জানান, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারত থেকে ১০টি ট্রাকে কাঁচা মরিচ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে। আমদানি করা পণ্যের কাস্টমস-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে সেগুলো দেশের বাজারে সরবরাহ করা হবে।
আমদানিকারক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন বলেন, কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর প্রথম চালান হিসেবে ১০ ট্রাক মরিচ আনা হয়েছে। আমদানি করা পণ্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন বাজারে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর প্রত্যাশা, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং কাঁচা মরিচের দামও ধীরে ধীরে কমে আসবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে টানা বৃষ্টির কারণে সাতক্ষীরাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার কাঁচা মরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জমিতে পানি জমে যাওয়ায় কৃষকের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাজারে নতুন মরিচের সরবরাহ কমে যায়। সরবরাহ কমে যাওয়ার বিপরীতে চাহিদা স্বাভাবিক থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই পণ্যটির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র ১৫ দিন আগেও বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ প্রায় ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক কয়েক দিনে একই পণ্যের দাম বেড়ে ২৫০ টাকার বেশি হয়েছে। অর্থাৎ অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ২০০ টাকারও বেশি। এতে সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং খাবার প্রস্তুতকারী ছোট ব্যবসায়ীদেরও বাড়তি খরচের মুখে পড়তে হচ্ছে।
সাতক্ষীরা শহরের কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রজব আলী বলেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমদানি করা মরিচ দ্রুত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছাতে পারলে বাজারে চাপ কমতে পারে। তাঁর আশা, সরবরাহ স্বাভাবিক হলে কাঁচা মরিচের দামও ধীরে ধীরে আগের তুলনামূলক স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।
তবে বাজারে দাম কমার বিষয়টি নির্ভর করবে আমদানির ধারাবাহিকতা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহের গতি এবং স্থানীয় উৎপাদন পরিস্থিতির ওপর। ব্যবসায়ীদের মতে, এক দিনের বড় চালান বাজারে কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে, কিন্তু স্থায়ীভাবে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উৎপাদন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্থানীয় বাজারেও নতুন মরিচের সরবরাহ বাড়তে পারে।
এদিকে আমদানিকারকদের প্রত্যাশা, আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে আমদানি করা কাঁচা মরিচ দেশের পাইকারি বাজারগুলোতে পৌঁছানোর পর সরবরাহের ঘাটতি কিছুটা কমবে। এর ফলে খুচরা বাজারেও দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থামতে পারে। এখন ক্রেতা ও ব্যবসায়ী—উভয়ের নজর থাকবে ভারত থেকে কাঁচা মরিচের পরবর্তী চালান নিয়মিত আসে কি না এবং আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারদর কতটা কমে আসে তার ওপর।
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ১০০ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০টি ট্রাকে এই আমদানি সম্পন্ন হয়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি করা মরিচ দ্রুত দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পৌঁছে দেওয়া গেলে সরবরাহ বাড়বে এবং এর প্রভাব পড়তে পারে খুচরা বাজারের দামে।
বন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আমদানি করা প্রতিটি ট্রাকে প্রায় ৯ থেকে ১১ টন করে কাঁচা মরিচ ছিল। সে হিসাবে প্রথম চালানেই প্রায় এক লাখ কেজি বা ১০০ টন মরিচ দেশে এসেছে। ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা এসব পণ্য প্রয়োজনীয় শুল্ক পরিশোধ এবং কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারি বাজারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ভোমরা কাস্টম হাউসের কমিশনার মুশফিকুর রহমান জানান, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারত থেকে ১০টি ট্রাকে কাঁচা মরিচ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে। আমদানি করা পণ্যের কাস্টমস-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে সেগুলো দেশের বাজারে সরবরাহ করা হবে।
আমদানিকারক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন বলেন, কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর প্রথম চালান হিসেবে ১০ ট্রাক মরিচ আনা হয়েছে। আমদানি করা পণ্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন বাজারে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর প্রত্যাশা, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং কাঁচা মরিচের দামও ধীরে ধীরে কমে আসবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে টানা বৃষ্টির কারণে সাতক্ষীরাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার কাঁচা মরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জমিতে পানি জমে যাওয়ায় কৃষকের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাজারে নতুন মরিচের সরবরাহ কমে যায়। সরবরাহ কমে যাওয়ার বিপরীতে চাহিদা স্বাভাবিক থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই পণ্যটির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র ১৫ দিন আগেও বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ প্রায় ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক কয়েক দিনে একই পণ্যের দাম বেড়ে ২৫০ টাকার বেশি হয়েছে। অর্থাৎ অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ২০০ টাকারও বেশি। এতে সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং খাবার প্রস্তুতকারী ছোট ব্যবসায়ীদেরও বাড়তি খরচের মুখে পড়তে হচ্ছে।
সাতক্ষীরা শহরের কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রজব আলী বলেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমদানি করা মরিচ দ্রুত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছাতে পারলে বাজারে চাপ কমতে পারে। তাঁর আশা, সরবরাহ স্বাভাবিক হলে কাঁচা মরিচের দামও ধীরে ধীরে আগের তুলনামূলক স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।
তবে বাজারে দাম কমার বিষয়টি নির্ভর করবে আমদানির ধারাবাহিকতা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহের গতি এবং স্থানীয় উৎপাদন পরিস্থিতির ওপর। ব্যবসায়ীদের মতে, এক দিনের বড় চালান বাজারে কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে, কিন্তু স্থায়ীভাবে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উৎপাদন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্থানীয় বাজারেও নতুন মরিচের সরবরাহ বাড়তে পারে।
এদিকে আমদানিকারকদের প্রত্যাশা, আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে আমদানি করা কাঁচা মরিচ দেশের পাইকারি বাজারগুলোতে পৌঁছানোর পর সরবরাহের ঘাটতি কিছুটা কমবে। এর ফলে খুচরা বাজারেও দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থামতে পারে। এখন ক্রেতা ও ব্যবসায়ী—উভয়ের নজর থাকবে ভারত থেকে কাঁচা মরিচের পরবর্তী চালান নিয়মিত আসে কি না এবং আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারদর কতটা কমে আসে তার ওপর।
মন্তব্য