শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের জান্না ফকিরবাড়ি এলাকায় সাটুরিয়া-গোলড়া পাকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডের শিকার বাসটির নিবন্ধন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-১৬৫১। বাসটি তারাসীমা অ্যাপারেলস লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের যাতায়াতের কাজে ব্যবহৃত হতো। রাতের এই ঘটনায় বাসটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও সৌভাগ্যক্রমে কেউ হতাহত হননি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময় বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বাসটির অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায়। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
খবর পেয়ে সাটুরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তাদের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে বাসটির অধিকাংশ অংশ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সাটুরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউস পরিদর্শক মজিবর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডে বাসটির অধিকাংশ অংশ পুড়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং এর পেছনে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাসটিতে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার সময় বাসটিতে কেউ অবস্থান করছিলেন কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং সম্ভাব্য দায়ীদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া-গোলড়া সড়কে ঘটে যাওয়া এ অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের সম্পদের ক্ষতি হলেও প্রাণহানির ঘটনা না ঘটায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধানই পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।


