খবরওয়ালা মফস্বল ডেস্ক
প্রকাশ: 26শে ফাল্গুন ১৪৩১ | ১০ই মার্চ ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্বামীর শ্বাসরোধে আহত স্ত্রী বাধন আক্তার (১৮) মারা গেছেন। রবিবার (৯ মার্চ) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারী মারা যান।
বাধনের পরিবারের দাবি, স্বামী রাকিব (৩০) বাধনকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। আর ঘটনার দিনই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন ওই স্বামী।
হত্যার শিকার ওই গৃহবধূ রাউতগাঁও গ্রামের মো. বাদল মিয়ার মেয়ে। ছয় মাস আগে পার্শ্ববর্তী পেচাইন গ্রামের মো. রাকিব (৩০) এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাদের বিয়ে হয়। বাধন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।
ভিকটিমের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার শ্বশুরবাড়ি থেকে অসুস্থ অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, স্বামী রাকিব বাধন আক্তারকে গলা চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। এ ঘটনায় স্বামী রাকিব হোসেন ঘটনার দিন থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। পরদিন বুধবার তাকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়। সোনারগাঁ থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বাঁধনের বাবা বাদল মিয়া বলেন, ফোন কলের মাধ্যমে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে জানতে পারি বাধন অসুস্থ। তারা শ্বশুরবাড়িতে গেলে বাড়িটিতে ননদ ও তার স্বামী ছাড়া কাউকে পাননি। তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঢামেকে ভর্তির চারদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাধন মারা গেছেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারী বলেন, ‘গৃহবধূকে গলা চেপে আহত করার পর স্বামী থানায় এসে নিজেই ধরা দিয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
খবরওয়ালা/আরডি