খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে টানা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তার সমর্থক ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের শ্রমিক ইউনিয়নের একাংশ। ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগরভবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
বুধবার (২৮ মে) সকাল ১১টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নগরভবনের মূল ফটক থেকে শুরু করে প্রতিটি বিভাগীয় গেটে তালা ঝুলছে। বন্ধ রয়েছে জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স প্রদান, ও উন্নয়ন প্রকল্পসহ সব ধরনের নাগরিক সেবা। ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানো হচ্ছে না। এর দায় তারা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ওপর। আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কারী সাবেক সচিব মশিউর রহমান বলেন, “সরকার যদি দ্রুত সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে আরও কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, “উপদেষ্টার স্বেচ্ছাচারিতার কারণেই শপথ প্রক্রিয়া আটকে আছে। ফলে নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
চলমান আন্দোলনের কারণে গত ১৪ মে থেকে নগরভবনে তালা ঝুলছে। একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জন্মসনদ থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের কাজ আটকে আছে। এতদিনেও সমাধান না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে।”
নগরবাসীর অভিযোগ, আন্দোলনের জন্য সরকার ও সিটি করপোরেশনের অভ্যন্তরীণ সংকট দায়ী হলেও ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ।
ডিএসসিসির এক কর্মকর্তা বলেন, “এই আন্দোলনের ফলে উন্নয়ন কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে। যত দীর্ঘ হবে আন্দোলন, তত দীর্ঘ হবে নাগরিক দুর্ভোগ।”
যদিও নগরভবনের তালা ঝুলছে, তবু পরিচ্ছন্নতা বিভাগে কর্মরত শ্রমিকরা শহরের ময়লা অপসারণসহ জরুরি কিছু পরিষেবা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্যই পরিচ্ছন্নতার কাজ চলমান রাখা হয়েছে।
এই প্রতিবেদন প্রয়োজনে সম্পাদনা করে সংক্ষিপ্ত, তথ্যচিত্রমুখী বা টকশো ভিত্তিক সংলাপেও রূপান্তর করা সম্ভব। জানালে তা করে দেওয়া যাবে।
খবরওয়ালা/এমএজেড