খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠলেও পুলিশ বলছে, গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার পরই তারা অ্যাকশনে যেতে বাধ্য হয়।
এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোসহ বিভিন্ন দাবিতে সচিবালয়ের সামনে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বিকেলে বিক্ষোভে নামেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিকেল ৪টার দিকে বিক্ষোভটি উত্তেজনাকর হয়ে উঠলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী আহত হন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, “শিক্ষার্থীরা প্রথমে জানিয়েছিল তারা সচিবালয়ের সামনে বসে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি জানাবে। আমরা তাদের আটকে দেইনি এবং সাতজন প্রতিনিধিকে ভেতরে পাঠানো হয়েছিল।”
তবে পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায় যখন শিক্ষার্থীরা সচিবালয়ের ১ নম্বর গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডিসি মাসুদ জানান, “হাজার হাজার শিক্ষার্থী তখন সচিবালয়ে ঢুকে পড়ছিল। আমরা প্রথমে কোনো বলপ্রয়োগ করিনি, কারণ তারা শিক্ষার্থী। কিন্তু ভেতরে ঢুকে যখন তারা গাড়ি ভাঙচুর করে ও আমাদের পুলিশ সদস্যদের মারধর শুরু করে, তখন বাধ্য হয়ে অ্যাকশনে যাই।”
এদিকে আহত শিক্ষার্থীরা পুলিশের বিরুদ্ধে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভেও পুলিশ সহিংস প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, সচিবালয়ের সামনে থেকে প্রায় ৪০ জন আহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
ঘটনার সময় আশপাশের এলাকায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় এখনও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
খবরওয়ালা/আশ