খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
ব্রিটিশ শাসিত তুর্কস অ্যান্ড কাইকোস দ্বীপপুঞ্জের একটি জনপ্রিয় নাইটস্পটে বন্দুকধারীদের গুলিতে তিন যুবক নিহত হয়েছেন এবং আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক ইতিহাসে ব্রিটিশ এই ভূখণ্ডে এটিই সবচেয়ে বড় বন্দুক হামলা বলে জানিয়েছে সিএনএন।
ঘটনাটি ঘটে রবিবার ভোরে প্রোভিডেনসিয়ালেস দ্বীপে। সিএনএন’র প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় অন্তত চারজন সন্দেহভাজন জড়িত ছিল, তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
দ্বীপপুঞ্জের পুলিশ কমিশনার ফিটজ বেইলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা।’
তুর্কস অ্যান্ড কাইকোসের প্রিমিয়ার চার্লস ওয়াশিংটন মিসিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা এখন গ্যাংল্যান্ড ধরনের হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছি। এই গ্যাং সহিংসতার বেশির ভাগই আমাদের হাইতিয়ান সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে হচ্ছে।’
তিনি হাইতিয়ান সম্প্রদায়ের প্রতি পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তাদের মধ্যে কেউ কেউ জানেন যে কীভাবে তুর্কস অ্যান্ড কাইকোস দ্বীপপুঞ্জে বন্দুক পাচার করা হচ্ছে। এখানে যা ঘটছে তা আমরা আগে কখনও দেখিনি। এটি এমন পরিস্থিতি নয় যা আমাদের মেনে নেওয়া উচিত।’
দ্বীপপুঞ্জে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে চলমান কড়াকড়ির মধ্যেই এই গুলির ঘটনা ঘটল। আনুমানিক ১০,৯০০ হাইতিয়ান দ্বীপপুঞ্জে বসবাস করেন, যা মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ। জাতিসংঘের মানবিকবিষয়ক কার্যালয় জানায়, প্রায় ৮০ শতাংশ হাইতিয়ান প্রোভিডেনসিয়ালেসে থাকেন এবং তাঁদের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি রয়েছে।
গোলাগুলিতে আহতদের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত গভর্নর আনিয়া উইলিয়ামস বলেন, ‘আহতদের সুরক্ষার জন্য প্রোভিডেনসিয়ালেসের হাসপাতালটি লকডাউন করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কমপক্ষে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।’
স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনার তদন্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন
খবরওয়ালা/এসআই