খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন স্থানীয় অনলাইন সংবাদকর্মী রাহিদ। দুর্ঘটনার লাইভ সম্প্রচারের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, আহত ব্যক্তি আর কেউ নন—তার নিজের বাবা। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাবার মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নাটোর শহরের হরিশপুর বাইপাস চত্বরে যাত্রীবাহী একটি বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন রাহিদের বাবা মজিবর রহমান (৬০)। তিনি সদর উপজেলার আটঘড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং নাটোর শহরের নিচাবাজারে সবজি বিক্রেতা ছিলেন।
সাংবাদিক রাহিদ ‘সংবাদ শৈলী’ নামে একটি স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টালের রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে রাহিদ বলেন, ‘সকালে একটি সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফেসবুক লাইভ করার জন্য ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়েই দেখি একজন ব্যক্তি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। কাছে যেতেই দেখতে পাই তিনি আমার বাবা। স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।’
তিনি আরও জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন তার বাবা। পথিমধ্যে হরিশপুর বাইপাসে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন মজিবর রহমান এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
ঘটনার বিষয়ে ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুর রহমান জানান, ‘দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
খবরওয়ালা/এসআই