খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: শুক্রবার, ১ আগস্ট ২০২৫
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এক যুক্ত বিবৃতিতে তারা এ নিন্দা জানিয়েছেন।
এক কিশোরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংগঠিত এই হামলাকে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’ এবং ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিপন্থী’ উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন তারা।
এর আগে, গত ২৬ জুলাই দিবাগত রাতে গংগাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের আলাদাদপুর বালাপাড়া গ্রামের এক কিশোর ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)- কে অবমাননার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়। কিন্তু তারপরও উত্তেজিত জনতা সনাতন ধর্মাবলম্বী অন্তত ২২টি পরিবারের ঘরবাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালায়। শনিবার রাত ও রোববার বিকেল পর্যন্ত কয়েক দফায় এ হামলা চলে।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে শিক্ষকেরা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মসহিষ্ণু ও মানবিক চেতনাসম্পন্ন। ধর্ম অবমাননার কোনো ঘটনা আমরা সমর্থন করি না, তেমনি ধর্মকে হাতিয়ার বানিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর জুলুম-নির্যাতনও আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি।
বিবৃতিতে শিক্ষকেরা আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে। ধর্মীয় অনুভূতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে ঘৃণা ও সহিংসতার বিস্তার ঘটানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গংগাচড়ায় যা ঘটেছে তা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, এই হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিচারের আওতায় এনে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিবৃতিদাতা শিক্ষকরা হলেন-
অধ্যাপক ড. এম আহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. হান্নান রশীদ খান, অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, ড. মোঃ মাহমুদুল হাসান, অধ্যাপক ড. আকতার হোসেন, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ, অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ড. শবনম জাহান, অধ্যাপক ড. ওসমান গণি, অধ্যাপক ড. আজমল হোসেন ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, অধ্যাপক ড. জামিলা এ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. সুব্রত সাহা, অধ্যাপক ড. আফজাল হোসেন।
অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মাহবুব আলম প্রদীপ, অধ্যাপক ড. হানিফ সিদ্দিকী, ড. হিমাদ্রী শেখর, অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. এস. এম. আরিফুর রহমান, অধ্যাপক ড. আবু সায়েম শামসুর রউফ, অধ্যাপক ড. লুৎফুল আমিন, অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, ড. বিলাল হোসেন, অধ্যাপক ড. মোঃ শামীম হোসেন, অধ্যাপক ড. আবদুর রশীদ জান, অধ্যাপক ড. ফিরোজ জামান, অধ্যাপক ড. মাহবুব আল মামুন, অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক শাহ আজম, অধ্যাপক হান্নান উর রশিদ, অধ্যাপক ড. আবদুল মজিদ, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, অধ্যাপক বাদশা মিয়া, অধ্যাপক আবুল আলীম, অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুন্নী, অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম, অধ্যাপক ফিরদৌসী নাহার, অধ্যাপক ড. উত্তম কুমার, ড. মাহমুদুর রহমান, অধ্যাপক ড. ইব্রাহিম আব্দুল্লাহ, অধ্যাপক সাঈদ হোসেন, অধ্যাপক ড. তানভীর আহমেদ, অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন, ড. মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন।
অধ্যাপক এনায়েতুল কবির, অধ্যাপক আলতাফ রাসেল, অধ্যাপক শামীমুর রহমান, অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম, অধ্যাপক শারমিন সাদিয়া, অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত নয়ন, অধ্যাপক ড. সুবাষ কুমার বসু, অধ্যাপক ড. অনীক কৃঞ্চ কুমার, অধ্যাপক ড. জুবেদা সাঈদ আলী কুদ্দুস, অধ্যাপক ড. বিশর আহমেদ, অধ্যাপক সৌম্য মুখার্জি, অধ্যাপক আজিজুর রহমান, অধ্যাপক রেদওয়ান আহমদ, অধ্যাপক খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক মিশউর রহমান, অধ্যাপক রাশেদ মাশরাফি, অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. হাসিনুর রশিদ, অধ্যাপক এ এফ এম আবদুল মঈন, অধ্যাপক ড. মামুন, অধ্যাপক জুলফিকার, অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর, অধ্যাপক ড. রুমানা হক, অধ্যাপক শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক ড. কাজী শাহানারা আহমেদ, অধ্যাপক ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার, অধ্যাপক ড. মাহাদী মিনহাজ, অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম, অধ্যাপক সিতাংশু সংকর, অধ্যাপক ড. ফারহানা হক, অধ্যাপক ড. মোঃ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ড. তানভীর রহমান, ড. লুৎফুল আমিন, অধ্যাপক ড. মুজিবুল্লাহ আহমেদ, অধ্যাপক মাজাহারুল ইসলাম, অধ্যাপক মোঃ কামরুজ্জামান সরকার, অধ্যাপক ড. সুমন চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মোঃ কবির হোসেন, অধ্যাপক ফিরদৌস আহমেদ, অধ্যাপক আবুল সাবহান, অধ্যাপক জুবায়ের আহমেদ, অধ্যাপক ড. মুস্তাক আহমেদ, অধ্যাপক ড. সুভাষ চন্দ্র, অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সুজন সিংহ, অধ্যাপক ড. তোফায়েল।
খবরওয়ালা/এমইউ