খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: 6শে ভাদ্র ১৪৩২ | ২১ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
পাবনার আটঘরিয়ায় উপজেলায় মো. হাসানুর হক (৪৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভেতরেই রোগীর স্বজনদের মারধর করে রুমের ভেতরে আটকে রাখে। মামলা করলে হত্যাসহ নানা হুমকি দেওয়া হয়।
বুধবার (২০ আগস্ট) বিকেলে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এসময় অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থানা পুলিশে খবর দিলে হাতেনাতে দুজনকে আটক করা হয়।
এর আগে সকালে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের চক চবিবাড়ির ত্রিমোহনী এলাকায় কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় হাসানুর হককে। এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন- একদন্তের চক চবিবাড়ির ত্রিমোহনী এলাকার হাশেম মুন্সির ছেলে খায়রুল ইসলাম ও মৃত রোস্তম মুন্সীর ছেলে হাশেম মুন্সী।
মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আটঘরিয়ার ত্রিমোহনীর চৌরাস্তা মোড় পৌঁছামাত্র ৪/৫ জন হাতে ধারালো চাপাতি, হাসুয়া, লোহার রড, বাঁশ ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভুক্তভোগী হাসানুর হকের পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। নিষেধ করলে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এরপর স্থানীয়রা উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এছাড়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রোগীর স্বজন ও স্বজনদের ওপর হামলা করা হয়। রুমে আটকে রাখা হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সদর থানা পুলিশকে খবর দিলে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর স্ত্রীর মোছা. ববি খাতুন বলেন, এরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। এরা এখনও বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও মাস্তানি গুন্ডামি করে বেড়াচ্ছে। আমার স্বামীকে ব্যাপকভাবে কুপিয়েছে। শুধু তাই নয়, হাসপাতালে নিয়ে আসলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মধ্যেও আমাদের ওপর হামলা করা হয়। এসময় তারা বলে যে মামলা করলে এলাকায় যেতে দেব না।
আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। সদর থানা পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। আমরা তাদের কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছি। অন্য আসামিদেরও আটক করা হবে।
খবরওয়ালা/এফএস