খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাসহ সংঘর্ষের ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জননিরাপত্তা রক্ষার্থে তারা বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়েছে।
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, রাত ৮টার দিকে কাকরাইল এলাকায় দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। প্রথমে পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে সংঘর্ষ তীব্র হলে তাদের সহায়তায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হন।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুরুতে উভয় পক্ষকে শান্তিপূর্ণভাবে স্থান ত্যাগ করার আহ্বান জানালেও বারবার অনুরোধ উপেক্ষা করে নেতাকর্মীরা সহিংসতা বাড়ায়। রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিল বের করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালানো হয়। এতে বিজয়নগর, নয়াপল্টনসহ আশপাশের এলাকায় জনদুর্ভোগ তৈরি হয়। একপর্যায়ে জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগ করে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর করা হবে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে থাকবে তারা।
এর আগে বিকেলে বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অন্তত আটজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, হাসান তারেক, ফারজানা কিবরিয়া, মইনুল ইসলাম, মেহবুবা ইসলাম, আবু বক্কর, তারেক আজাদ ও পুলিশ ইন্সপেক্টর আনিছুর রহমান। সবাইকে রাতেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খবরওয়ালা/আশ