খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
এশিয়া কাপের সুপার ফোরের শেষ লড়াইয়ে যখন মনে হচ্ছিল শ্রীলঙ্কার জয় নিশ্চিত, তখনই বদলে যায় চিত্র। সুপার ওভারে ভারতের কাছে পরাজয় মেনে নিতে পারেননি দলের কোচ সনাৎ জয়াসুরিয়া। মন খারাপ নিয়ে বসে ছিলেন তিনি ড্রেসিংরুমের বাইরে।
দুবাইয়ে ভারতের দেওয়া ২০৩ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১২ ওভারে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান তুলে ফেলে লঙ্কানরা। হাতে ৯ উইকেট রেখে বাকি ছিল ৪৮ বলে মাত্র ৬৯ রান। পাতুম নিশাঙ্কা ও কুশল পেরেরা গড়েন এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি—১২৭ রান।
নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি শ্রীলঙ্কাকে জয়ের একদম কাছাকাছি নিয়ে গেলেও শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ১২ রান তুলতে ব্যর্থ হয় তারা। ফলাফল—দুই দলই ২০ ওভারে সমান ২০২ রান করে, ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।
সুপার ওভারে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা মাত্র ৫ বলে ২ রান তুলতেই হারায় ২ উইকেট। ভারতের হয়ে অসাধারণ বোলিং করেন অর্শদীপ সিং। এরপর ব্যাট হাতে নামেন সূর্যকুমার যাদব। প্রথম বলেই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে ৩ রান নিয়ে ম্যাচ জিতিয়ে দেন ভারতকে।
৭ চার ও ৬ ছক্কার সাহায্যে ৫৮ বলে দুর্দান্ত ১০৭ রান করেন পাতুম নিশাঙ্কা। এবারের আসরে টি-টোয়েন্টিতে তিনিই প্রথম সেঞ্চুরিয়ান। তবুও দলকে জেতাতে না পারলেও তার অনবদ্য ইনিংসের সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতের পক্ষে ফিফটি করেন অভিষেক শর্মা (৩৭ বলে ৬১)। তিলক বর্মা ৪৯* ও স্যামসন ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে ভারত স্কোরবোর্ডে তোলে ২০২ রান—এবারের আসরে প্রথম দল হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ২০০ রানের বেশি সংগ্রহ।
সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:
ভারত – ২০ ওভারে ২০২/৫
অভিষেক ৬১, তিলক ৪৯*, স্যামসন ৩৯
শানাকা ২/২৩, তিকশানা ১/৩৬
শ্রীলঙ্কা – ২০ ওভারে ২০২/৫
নিশাঙ্কা ১০৭, পেরেরা ৫৮
পান্ডিয়া ১/৭, কুলদীপ ১/৩১
সুপার ওভার:
শ্রীলঙ্কা: ২/২ (৫ বলে)
ভারত: ৩/০ (১ বলে)
এই জয়ের ফলে সুপার ফোরে টানা ছয় ম্যাচ জিতে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেছে ভারত। সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান। রবিবার রাতের ফাইনালে এশিয়ার দুই পরাশক্তির দ্বন্দ্ব এখন সবচেয়ে প্রতীক্ষিত।
খবরওয়ালা/টিএসএন