খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতির পরপরই দুর্গত এলাকার আশপাশে অবস্থানকারী ব্যবহারকারীদের জন্য ফেসবুক সেফটি চেক ফিচার চালু করে। ফিচারটি চালুর পর ব্যবহারকারীদের নোটিফিকেশন পাঠিয়ে জানানো হয় যে, তারা নিরাপদ আছেন কি না। এর ফলে সহজেই দুর্গত এলাকার মানুষজন অন্যদের কাছে তাদের নিরাপদ থাকার খবর দিতে পারেন। এইভাবে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে পরিচিত ব্যক্তিরা নিরাপদ কিনা তা সহজে ফেসবুকের মাধ্যমে জানা যায়।
২০১১ সালে জাপানের টোহোকু ভূমিকম্প ও সুনামির পর ফেসবুক এই ফিচার চালুর উদ্যোগ নেয়। প্রথমে ফিচারটির নাম রাখা হয়েছিল ডিজাস্টার মেসেজ বোর্ড। পরে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ফিচারটির নামকরণ করে সেফটি চেক করা হয়।
ফিচারটি প্রথম বড় আকারে ব্যবহৃত হয় ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল নেপালে ভূমিকম্পের পর। এরপর বিভিন্ন দেশে ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড় ও সন্ত্রাসী হামলার পরও ফেসবুক সেফটি চেক চালু করেছে। ২০১৫ সালের নভেম্বরে ফ্রান্সের প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার পরে এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয় এমন ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় চালু হয়। ২০১৬ সালের ২২ মার্চ ব্রাসেলসের বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে বিস্ফোরণের পরও ফিচারটি কার্যকর করা হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্পের পরও ফেসবুক সেফটি চেক চালু করে। ব্যবহারকারীরা ফিচারটির মাধ্যমে নিজেদের নিরাপদ থাকার তথ্য জানাতে এবং পরিচিত ব্যক্তিদের অবস্থার খবর জানতে সক্ষম হয়েছেন।
সূত্র: মেটা
খবরওয়ালা /এসএস