খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
হোমনায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ২১৫ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলা বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে হোমনা থানায় দায়ের করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলা দায়েরের পেছনে মূল কারণ হলো বিএনপি ও এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে গত ২২ জানুয়ারি সংঘটিত সংঘর্ষ।
হোমনা থানার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর দীনেশ দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, মামলাটি দায়ের করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী ও হোমনার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর। তিনি জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় বাদী হোমনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মামলায় মোট ২১৫ জন নেতাকর্মীকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, “জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে হোমনায় এর আগে কোনো মামলা বা সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। এটি এখানকার প্রথম মামলা। আমরা চাই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হোক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের নির্বাচনী সহিংসতা না ঘটে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি, বাক্যবাণের লড়াই এবং ছোটখাটো হাতাহাতি ঘটে।幸ি এতে কোনো বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি ঘটেনি, তবে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ ছিল।
নিচে ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সারণি আকারে দেওয়া হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| ঘটনা তারিখ | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ |
| মামলা দায়ের তারিখ | ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ |
| মামলা দায়েরকারী | জহিরুল হক জহর, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান |
| আসামীর সংখ্যা | ২১৫ জন |
| মূল পক্ষ | বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন, স্বতন্ত্র প্রার্থী দলের কর্মী-সমর্থক |
| থানার কর্মকর্তা | ইন্সপেক্টর দীনেশ দাশগুপ্ত, ওসি মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী |
| প্রাথমিক অবস্থা | ছোটখাটো ধাক্কাধাক্কি ও বাক্যবাণের সংঘর্ষ, বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি হয়নি |
| লক্ষ্য | শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ ও নির্বাচনী সহিংসতা প্রতিরোধ |
ওসি মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী আরও উল্লেখ করেন, “স্থানীয়রা যেন ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারে, সে জন্য পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনী এলাকায় পর্যাপ্তভাবে মোতায়েন রয়েছে। আমরা আশা করি, ভোটের দিন কোনো ধরনের উত্তেজনা বা সংঘর্ষ হবে না।”
এই মামলার মাধ্যমে হোমনায় নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা চাই সকল রাজনৈতিক পক্ষ দায়িত্বশীল আচরণ করুক এবং ভোটাররা স্বতন্ত্রভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।