খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুয়ালালামপুর, ৯ ফেব্রুয়ারি — কুয়ালালামপুর সড়ক পরিবহন বিভাগ (জেপজে) গতকাল জালান তুন রাজাক এলাকায় বিশেষ লাক্সারি গাড়ি অভিযানকালে এক মহিলার পরিচালিত বিংটলেি কনটিনেন্টাল গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে। মহিলাটি ২০১৮ সাল থেকে গাড়ির রোড ট্যাক্স ও বীমা নবায়ন না করার বিষয়টি “অবহেলা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, পূর্বে এই বিষয়গুলো তার পরিবারের অন্যান্য সদস্য দেখাশোনা করতেন।
জেপজে পরিচালক হামিদি আডম জানিয়েছেন, মহিলাটিকে বিশেষ অভিযান চলাকালীন সময়ে থামানো হয় এবং গাড়ির নথি যাচাই করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে, গাড়িটি তার নামে নিবন্ধিত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই লঙ্ঘনগুলোর মধ্যে রয়েছে:
মেয়াদোত্তীর্ণ রোড ট্যাক্স
বীমার অনুপস্থিতি
বৈধ কমপিটেন্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স (CDL) না থাকা
হামিদি আডমের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “গাড়ির রোড ট্যাক্স ও বীমা ২০১৮ সাল থেকে নবায়ন করা হয়নি। মহিলাটি উল্লেখ করেছেন যে, পূর্বে এই ব্যবস্থাপনা তার পরিবারের অন্য সদস্যরা করতেন এবং তিনি বিষয়টি অবহেলা করেছেন।”
বৈধতা যাচাই শেষে জেপজে গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৮৭ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নীচের টেবিলে গাড়ি সম্পর্কিত মূল তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| গাড়ির ধরণ | Bentley Continental |
| অভিযান স্থান | Jalan Tun Razak, কুয়ালালামপুর |
| অভিযুক্ত | মহিলা উদ্যোক্তা (নাম প্রকাশিত হয়নি) |
| রোড ট্যাক্স নবায়ন | শেষবার ২০১৮ সালে |
| বীমা নবায়ন | শেষবার ২০১৮ সালে |
| CDL অবস্থা | বৈধ নয় |
| আইন লঙ্ঘন | মেয়াদোত্তীর্ণ রোড ট্যাক্স, বীমা অনুপস্থিত, CDL অবৈধ |
| আইনগত ভিত্তি | Road Transport Act 1987 |
জেপজে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে চালানো হবে, বিশেষ করে অভিজাত ও ব্যয়বহুল গাড়ির ক্ষেত্রে। উদ্দেশ্য হলো সড়কে চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উচ্চমূল্যবান গাড়ির মালিকদেরও নথি এবং লাইসেন্স নিয়মিত যাচাই করার দায়িত্ব রয়েছে। “দুর্ভাগ্যবশত অনেক ক্ষেত্রেই পরিবার বা অন্যরা বিষয়টি দেখাশোনা করলেও, চূড়ান্ত দায়িত্ব মালিকের,” জানিয়েছেন সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ড. ফারিদা হোসেন।
জেপজে জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত গাড়ি আইনগত প্রক্রিয়ার শেষে ফেরত দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সকল জরিমানা এবং ফি পরিশোধ করতে হবে।