খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 12শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ২৬ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
মাওলানা আজাদ মেডিকেল কলেজের সাম্প্রতিক গবেষণা নির্দেশ করছে, অস্ত্রোপচারের সময় সংগীত শোনানো রোগীদের শরীরের প্রতিক্রিয়া শান্ত রাখতে এবং অ্যানেসথেসিয়ায় ওষুধের মাত্রা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেকটমি (পিত্তথলি অপসারণ) করা রোগীদের উপর এই পরীক্ষাটি পরিচালনা করা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণত জেনারেল অ্যানেসথেসিয়ায় পাঁচ ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়, যা রোগীকে অচেতন রাখে, ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় এবং পেশি শিথিল করে। তবে অচেতন থাকা অবস্থায়ও রোগীর শ্রবণক্ষমতা সক্রিয় থাকে। হেডফোনে মৃদু সংগীত শোনালে, শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া—যেমন রক্তচাপ বৃদ্ধি, স্ট্রেস হরমোন বৃদ্ধি এবং হৃদস্পন্দন—প্রতিহত হয়।
গবেষকরা দুটি গ্রুপে রোগীদের ভাগ করে একটিকে সংগীত শোনানো হয়েছে। সংগীত শোনানো রোগীদের প্রপোফল ও ফেন্টানাইলের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম প্রয়োজন হয়, ফলে জাগরণ দ্রুত হয় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম থাকে। অধ্যাপক সোনিয়া ওয়াধাওয়ান বলেন, “অ্যানেসথেসিয়ায় অচেতন থাকলেও শরীর চাপ অনুভব করে, তাই সংগীত রোগীর অভ্যন্তরীণ প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।”
ফলাফল থেকে দেখা গেছে, সংগীত থেরাপি অস্ত্রোপচারের আধুনিক প্রক্রিয়ায় একটি কার্যকর সহায়ক হতে পারে, যা রোগীর দ্রুত সুস্থ হওয়া, কম ব্যথা এবং কম স্ট্রেস নিশ্চিত করতে সক্ষম।