খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
ইফতারের জন্য দই চিড়া একটি স্বাস্থ্যকর এবং সহজে গ্রহণযোগ্য খাবার। এটি একদিকে যেমন দ্রুত শক্তি যোগায়, তেমনি হজম এবং শরীরের অন্যান্য কার্যকারিতায়ও সাহায্য করে। তাছাড়াও বেশ কিছু কারণ রয়েছে, যা একে রোজার সময় একটি আদর্শ খাবার হিসেবে তুলে ধরে।
ইফতারে দই চিড়া খাওয়ার উপকারীতা-
১. সহজে হজমযোগ্য:
রোজার পর দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে হজম প্রক্রিয়া কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। দই এবং চিড়া দুটোই সহজে হজমযোগ্য খাবার। চিড়া হালকা হওয়ায় পেটের উপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে না এবং দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক হজমক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে।
২. দ্রুত শক্তি সরবরাহকারী:
রোজার সময় শরীর দীর্ঘক্ষণ খাদ্য ও পানীয় থেকে বঞ্চিত থাকে। ইফতারে এমন খাবার গ্রহণ করা উচিত যা দ্রুত শক্তি সরবরাহ করতে পারে। চিড়া কার্বোহাইড্রেটের একটি ভালো উৎস, যা দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায়।
৩. পেট ঠান্ডা রাখে:
দীর্ঘ সময় ধরে পানিশূন্য থাকার কারণে শরীরে তাপ উৎপন্ন হতে পারে। দই একটি শীতলকারী খাবার, যা পেটের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
৪. পুষ্টিগুণে ভরপুর:
দই: ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের ভালো উৎস। এটি হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং শরীরের অন্যান্য কার্যকারিতায় সাহায্য করে। এছাড়া দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।
চিড়া: কার্বোহাইড্রেট ছাড়াও এতে অল্প পরিমাণে আয়রন এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থ থাকে।
৫. পানিশূন্যতা দূর করে
দইয়ে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে, যা রোজার পর শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে সাহায্য করে। চিড়ার সাথে মিশিয়ে খেলে এটি শরীরকে দীর্ঘক্ষণ হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে।
খবরওয়ালা/এফএস