খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র-পরিচালিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় কাতার জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সোমবার (২৩ জুন) রাতে সংঘটিত এ হামলার পর জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে কাতার এ ঘটনাকে ‘চরম বিপজ্জনক উসকানি’ এবং তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলা শুধুমাত্র কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য একটি সরাসরি হুমকি।
তারা আরও দাবি করে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কর্তৃক ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করেছে।
চিঠিতে কাতার উল্লেখ করে, জাতিসংঘ সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় তারা আত্মরক্ষার অধিকার সংরক্ষণ করে। পাশাপাশি, দোহায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতকে ইতিমধ্যেই তলব করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এই হামলা এমন এক সময় ঘটেছে, যখন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আলোচনায় আসে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই বিরতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। কাতার ওই আলোচনা প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কাতার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও কূটনৈতিক সমাধান চায়। তবে নিজ ভূখণ্ডে বিদেশি হামলা মেনে নেবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, `এই হামলার মাধ্যমে ইরান যুদ্ধবিরতির পরিবেশকেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’
সূত্র: বিবিসি
খবরওয়ালা/আরডি