খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 27শে আশ্বিন ১৪৩২ | ১২ই অক্টোবর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
পঞ্চগড়ে পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় আকস্মিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ক্ষুব্ধ হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ঘটনাস্থলেই উত্তেজিত হয়ে তিনি বলেন, ‘এই রাজনৈতিক দেউলিয়াদের দেখে নেবো, তাদের কলিজা কত বড়। কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখবো।’
রোববার (১২ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে ওই বক্তব্যের প্রসঙ্গে সারজিস আলম জানান, ক্ষোভের মুহূর্তে তিনি যে উপমা ব্যবহার করেছেন, তা করা উচিত হয়নি।
তিনি লিখেছেন, ‘প্রত্যেকবারই প্রোগ্রামের আগে তাদেরকে (নেসকো কর্মকর্তাদের) প্রোগ্রাম সম্পর্কে বলে রাখা হয়। প্রোগ্রামের পরেও ভদ্র ভাষায় বলা হয়েছে। কিন্তু তারপরও যখন একই চিত্র দেখা যায় তখন তাদের সাথে সুশীলতা প্রদর্শন করা প্রয়োজন মনে করিনা। তবে ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে যে উপমা ব্যবহার করেছি সেটা করা উচিত হয়নি বলে মনে করি।’
পোস্টে পঞ্চগড়ে এনসিপির পথসভায় বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে সারজিস লেখেন, ‘বিগত এক মাসে পঞ্চগড় জেলায় এনসিপি ৩টি প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামে যখন আমি বক্তব্য দেওয়া শুরু করি তার এক-দুই মিনিট পরে বিদ্যুৎ চলে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমবার যখন হয়েছিল কিছু বলিনি। মনে হয়েছিল এটা হতেই পারে। দ্বিতীয়বার একই ঘটনা ঘটলে ইনটেনশন নিয়ে সন্দেহ হয়। গতকাল আবার একই ঘটনা—প্রোগ্রামের আগে-পরে নয়, অন্য কারো বক্তব্যের সময় নয়, ঠিক আমি যখন কথা বলা শুরু করি তখন বিদ্যুৎ চলে যায়। কথা বলা শেষ হলে বিদ্যুৎ চলে আসে। সকল মিডিয়া এটার সাক্ষী।’
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে সারজিস আরও লেখেন, ‘জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সেক্টরের কিছু কর্মকর্তা এই ধরনের ছোটলোকি কিংবা অন্য দলের দালালি মূলক আচরণ করে থাকে। একজনকে ডিস্টার্ব করতে পারলে তাদের রাজনৈতিক সফলতা মনে করে।’
শনিবার (১১ অক্টোবর) চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে সারজিস আলমের নেতৃত্বে পঞ্চগড় শহর থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। লংমার্চ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এনসিপির এই শীর্ষ নেতা।
খবরওয়ালা/এন