খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বহুল আলোচিত ‘ছাগলকাণ্ডে’ জড়িত হয়ে আদালতে হাজির হয়েছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ও সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান হোসেন। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দুজনকে হাসিমুখে খোশগল্প করতে দেখা যায়।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কারাগার থেকে তাদের ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আনা হয়। বেলা ১২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তায় এজলাসে তোলা হলে মতিউর প্রথমে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে কাঠগড়ার বেঞ্চে ইমরানের পাশে বসে প্রায় ১০ মিনিট ধরে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন তারা।
শুনানিতে মতিউরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ। অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করা হয়। মতিউরের পক্ষে জামিন শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ওয়াহিদুজ্জামান (লিটন ঢালী)।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন মতিউরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, তিনি এক কোটি ২৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ পাঁচ কোটি ২৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেন।
দুদক আইন ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় এই মামলা করা হয়।
অন্যদিকে, ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ—তিনি কর্তৃপক্ষের ভুয়া অনুমোদনপত্র তৈরি করে প্রজননের অনুপযোগী ও আমদানি-নিষিদ্ধ ব্রাহামা জাতের ১৫টি গরু অবৈধভাবে আমদানি করেন। সরকারি নিয়মে এসব গরু সুলভ মূল্যে বিক্রি করার কথা থাকলেও তা না করে নথিতে জবাই দেখানো হয়। বাস্তবে গরুগুলো জবাই না করে তিনি দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি দমন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি বসুন্ধরার বাসা থেকে মতিউর ও তার স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকীকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। অন্যদিকে, গত ৩ মার্চ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গ্রেপ্তার করে ইমরান হোসেনকে।
খবরওয়ালা/এন