খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 5শে আশ্বিন ১৪৩২ | ২০ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
কুমিল্লার হোমনায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে চারটি মাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলার দুই দিন পরও পুলিশ কোনো উসকানিদাতাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পুলিশ জানায়, জড়িতদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তিমূলক একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়নের আসাদপুর গ্রামে পৃথক চারটি মাজারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ওই দিন রাতেই হোমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাপস কুমার সরকার মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয়ের ২২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
হামলার শিকার চারটি মাজার হলো – আসাদপুর গ্রামের আলেক শাহের বাড়িতে অবস্থিত তাঁর বাবা কফিল উদ্দিন শাহের মাজার, একই গ্রামের আবদু শাহের মাজার, কালাই (কানু) শাহের মাজার এবং হাওয়ালি শাহের মাজার।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কফিল উদ্দিন শাহের ছেলে আলেক শাহের নাতি মহসিনের বিরুদ্ধে গত বুধবার সকালে ফেসবুকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তিমূলক পোস্ট করার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ মহসিনকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এরপর সকালেই প্রথমে মহসিনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে কফিল উদ্দিন শাহের মাজার ভাঙচুর করা হয়। এ সময় একটি টিনশেড ও দুটি টিনের বসতঘরে ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরবর্তীতে অন্য তিনটি মাজারেও হামলার ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লার সহকারী পুলিশ সুপার (হোমনা-মেঘনা সার্কেল) আবদুল করিম বলেন, ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে কেউ মামলা না করায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ।
খবরওয়ালা/শরিফ