খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
ব্যাংক খাতের অস্থিরতার সময়ে মধ্যবিত্তের কাছে সঞ্চয়পত্রই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম। নিরাপত্তার পাশাপাশি এ খাতে মুনাফার হারও তুলনামূলক ভালো। বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের চার ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে—পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া বাকি তিন ধরনের সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি ছাড়াও প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারে।
এই চার সঞ্চয়পত্রের মধ্যে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফা মেলে। সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পঞ্চম বছর শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মেয়াদপূর্তির মুনাফা হয় ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী, স্ত্রী বা সন্তান।
মুনাফার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পরিবার সঞ্চয়পত্র, যা শুধু প্রাপ্তবয়স্ক নারীরা কিনতে পারেন। সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদপূর্তির মুনাফা ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ, আর এর বেশি বিনিয়োগে হার দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হার হয় ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে মেলে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ মুনাফা, তবে সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে এ হার নেমে আসে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশে।
মেয়াদপূর্তির আগে সঞ্চয়পত্র ভাঙলে মুনাফা কমে যায়। প্রতিবছর জানুয়ারি ও জুলাই মাসে মুনাফার হার পর্যালোচনা করা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন আনা হয়।
খবরওয়ালা /এসএস