খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 28শে পৌষ ১৪৩২ | ১১ই জানুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ফুটবল বিশ্বে ‘পারফেক্ট টেন’ কথাটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়, যা সাধারণত দশ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড়ের জন্য বলা হয়। কিন্তু ১০ জানুয়ারি, ইংল্যান্ডের এফএ কাপ তৃতীয় রাউন্ডে ম্যানচেস্টার সিটি এক আক্ষরিক অর্থের ‘পারফেক্ট টেন’ উপহার দিল—১০–১ স্কোরলাইন।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে এক্সেটার সিটির বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল গোলমুখর। মাত্র এক দলের নয়, দুই দলেরও গোলটি ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মিলেছে। ১০ জানুয়ারি বোঝাতে ব্যবহার হয় ১০/১ বা ১০–১। এদিন সিটির তাণ্ডবের মধ্যেও এক্সেটার একটি গোল করতে সক্ষম হয়, যা স্কোরলাইনকে আরও অর্থবহ করে তোলে।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে গোল করেছেন সাতজন খেলোয়াড়, তবে দলের ‘গোলমেশিন’ আর্লিং হলান্ড ছিলেন না।
রিকো লুইস করেছেন দুটি গোল (৪৯ ও ৯১ মিনিটে), এছাড়া দুটি গোল হয়েছে এক্সেটারের আত্মঘাতী কারণে। বাকি ছয় গোল করেছেন:
| গোলদাতা | গোল সময় (মিনিট) |
|---|---|
| ম্যাক্স অ্যালাইনা | ১৮ |
| রদ্রি | ৫৬ |
| অ্যান্টনি সেমেনিও | ৭২ |
| তিয়ানি রেইনডার্স | ৮১ |
| নিকো ও’রিলি | ৮৭ |
| রায়ান ম্যাকাইদু | ৯০ |
| রিকো লুইস | ৪৯, ৯১ |
| এক্সেটারের আত্মঘাতী | ৩৫, ৬২ |
বিশেষভাবে নজরকাড়া বিষয় হলো রদ্রির গোল, যা ২০২৪ সালের মে মাসের পর প্রথম। ২৬ বছর বয়সী সেমেনিওর গোল আরও অনন্য—তিনি গতকালই বোর্নমাউথ থেকে সিটিতে যোগ দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গোল করেছেন এবং একটি সহকারী অ্যাসিস্টও করেছেন।
সিটির ইতিহাসে অভিষেক ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্টের কীর্তি পুনরায় গড়েছেন একজন নতুন খেলোয়াড়, যা ২০১১ সালে সোয়ানসির বিপক্ষে সের্হিও আগুয়েরো করেছিলেন। দল হিসেবে ম্যানচেস্টার সিটি ১৯৮৬ সালের পর কোনো প্রতিযোগিতায় ১০ গোল করার কীর্তি গড়েছে। ৩৯ বছর আগে লিভারপুল লিগ কাপে ফুলহামের বিরুদ্ধে ১০–০ গোল করেছিল।
যদিও ইংলিশ ফুটবলে বড় জয়ের নজির আছে—যেমন ১৯৬০ সালে টটেনহাম ক্রুকে ১৩–২ গোলে হারিয়েছিল—তবে ক্যালেন্ডারের সঙ্গে স্কোরলাইনের মিল এমন নিখুঁত দেখা কমই যায়। তাই এবার থেকে যদি কেউ জানতে চায়, ম্যানচেস্টার সিটি কখন এফএ কাপ তৃতীয় রাউন্ডে জয়লাভ করেছিল, ক্যালেন্ডার খোলার প্রয়োজন নেই—১০ জানুয়ারি, স্কোরলাইন ১০–১।