প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, একই সময়ে মোট স্থূল প্রিমিয়াম (গ্রস প্রিমিয়ামস রিটেন) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে এটি ৯.৬ শতাংশ বেড়ে ১৬.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা কোম্পানির বৈশ্বিক কার্যক্রমে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
প্রিমিয়াম আয় ও খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি
চাব লিমিটেডের সম্পত্তি ও দায়বদ্ধতা (প্রপার্টি অ্যান্ড ক্যাজুয়ালটি) বিমা খাতে প্রিমিয়াম আয় ৭.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে জীবন বিমা খাতে প্রবৃদ্ধি আরও বেশি লক্ষণীয়, যেখানে প্রিমিয়াম আয় ৩৩.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দুই খাতের সম্মিলিত অগ্রগতি প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক আর্থিক ফলাফলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবৃদ্ধি
চাবের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম, বিশেষ করে “ওভারসিজ জেনারেল” খাত, এই প্রান্তিকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। এ খাতে প্রবৃদ্ধি ১৪.৪ শতাংশ, যা ধ্রুব মুদ্রা মান (কনস্ট্যান্ট ডলার) অনুযায়ী ৬.১ শতাংশ। বিভিন্ন অঞ্চলে কোম্পানিটির প্রবৃদ্ধির হার ছিল নিম্নরূপ—
- লাতিন আমেরিকা: ১৭.৮ শতাংশ
- ইউরোপ: ১৫.৮ শতাংশ
- এশিয়া: ১২.১ শতাংশ
চাবের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইভান জি. গ্রিনবার্গ এক বিবৃতিতে এসব তথ্য তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতা উল্লেখ করেন।
শেয়ারপ্রতি আয়
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিক শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ৫.৯ মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৮.৮ শতাংশ বেশি। এই প্রবৃদ্ধি নিট মুনাফা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আর্থিক সূচকের সারসংক্ষেপ
| সূচক |
২০২৬ সালের কিউ১ |
প্রবৃদ্ধি (YoY) |
| নিট আয় |
২.৩ বিলিয়ন ডলার |
+৭৪.৩% |
| গ্রস প্রিমিয়াম |
১৬.৬ বিলিয়ন ডলার |
+৯.৬% |
| প্রপার্টি ও ক্যাজুয়ালটি প্রিমিয়াম |
— |
+৭.২% |
| জীবন বিমা প্রিমিয়াম |
— |
+৩৩.১% |
| শেয়ারপ্রতি আয় |
৫.৯ ডলার |
+৭৮.৮% |
সার্বিক চিত্র
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে চাব লিমিটেডের আর্থিক ফলাফল বহুমুখী প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। প্রিমিয়াম আয় বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে বিস্তার এবং শেয়ারপ্রতি আয়ের উন্নতি—সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে ইতিবাচক ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা গেছে।