খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 19শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ৩ই মার্চ ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় বিয়ের প্রলভোনে এক ২৪ বছর বয়সী তরুণীকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে ২৬ বছর বয়সী সাজিদ হাসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি উপজেলার উত্তর চাঁদপুর গ্রামে সংঘটিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণী নিজেই মামলা দায়ের করেন দামুড়হুদা মডেল থানায়। মামলার ভিত্তিতে সোমবার ভোর ৪টার দিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সাজিদ হাসান উপজেলার উত্তর চাঁদপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রলভোন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল। পরে ভুক্তভোগী সাজিদ হাসানের কাছে স্বামী হিসেবে গ্রহণের প্রস্তাব দিলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তরুণী আদালতে নিজে বাদী হয়ে মামলা করেন।
দামুড়হুদা মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই উত্তম কুমার জানান, “ওসি মেজবাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বসবাসস্থলে অভিযান চালাই। অভিযুক্তকে ধরা হয় এবং মামলার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”
চুয়াডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন, সাজিদ হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলার তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, “পুলিশ সর্বাত্মকভাবে ভুক্তভোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং দ্রুত আদালতে যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে।”
এই ধরনের ঘটনা স্থানীয় সমাজে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা পুলিশের তৎপরতা ও দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করছেন। একই সঙ্গে তারা ভবিষ্যতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ঘটনার স্থান | উত্তর চাঁদপুর, দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা |
| ভুক্তভোগীর বয়স | ২৪ বছর |
| অভিযুক্তের নাম | সাজিদ হাসান |
| অভিযুক্তের বয়স | ২৬ বছর |
| গ্রেফতারের তারিখ ও সময় | ২ মার্চ, ভোর ৪টা |
| মামলা দায়ের তারিখ | ১ মার্চ, বিকেল |
| থানার নাম | দামুড়হুদা মডেল থানা |
| তদন্ত কর্মকর্তা | এসআই উত্তম কুমার |
| ওসি | মেজবাহ উদ্দিন |
পুলিশ বলেছে, মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং অভিযুক্তকে যথাযথ আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। পাশাপাশি, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।