খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 31শে আষাঢ় ১৪৩২ | ১৫ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
প্রকৃতি কিংবা স্থাপত্য নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরে পর্যটকদের নজর কাড়ছে এক ব্যতিক্রমধর্মী ও অদ্ভুত স্থান—একটি চুইংগামে মোড়া দেওয়াল, যার নাম গাম ওয়াল। পরিচ্ছন্নতার ধারেকাছেও নয় বরং জীবাণু, গন্ধ আর আঠালোপূর্ণ এই দেওয়ালই হয়ে উঠেছে শহরের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।
সিয়াটলের জনপ্রিয় পাইক প্লেস মার্কেটের সন্নিকটে অবস্থিত এই গাম ওয়াল প্রায় ৮ ফুট উঁচু ও ৫৪ ফুট দীর্ঘ। এর পুরোটা জুড়েই লেগে আছে হাজার হাজার রঙবেরঙের চুইংগাম। কেউ মজা করে, কেউ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে আবার কেউ নিছক ফ্যাশনের অংশ হিসেবে এসব গাম সেঁটেছেন।
এই অদ্ভুতজীবাণুতে মোড়ানো ইতিহাস—সিয়াটলের বিখ্যাত ‘গাম ওয়াল’ এখন পর্যটন আকর্ষণ
প্রকৃতি কিংবা স্থাপত্য নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরে পর্যটকদের নজর কাড়ছে এক ব্যতিক্রমধর্মী ও অদ্ভুত স্থান—একটি চুইংগামে মোড়া দেওয়াল, যার নাম ‘গাম ওয়াল’। পরিচ্ছন্নতার ধারেকাছেও নয় বরং জীবাণু, গন্ধ আর আঠালোপূর্ণ এই দেওয়ালই হয়ে উঠেছে শহরের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।
সিয়াটলের জনপ্রিয় পাইক প্লেস মার্কেটের সন্নিকটে অবস্থিত এই গাম ওয়াল প্রায় ৮ ফুট উঁচু ও ৫৪ ফুট দীর্ঘ। এর পুরোটা জুড়েই লেগে আছে হাজার হাজার রঙবেরঙের চুইংগাম—কেউ মজা করে, কেউ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে আবার কেউ নিছক ফ্যাশনের অংশ হিসেবে এসব গাম সেঁটেছেন।
এই অদ্ভুত ‘দেওয়ালের’ যাত্রা শুরু হয় ১৯৯০-এর দশকে। এক সময় এটি ছিল ঝকঝকে একটি জায়গা, যেখানে ছোট পরিসরের কমেডি শো ও নাট্যানুষ্ঠানের টিকিট বিক্রি হতো। ১৯৯১ সালে বক্স অফিসটি কিনে নেয় একটি প্রযোজনা সংস্থা। এরপরই কিছু স্থানীয় শিল্পী মজা করে দেওয়ালে চুইংগাম লাগাতে শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শনার্থীরাও এতে যোগ দেন। শুরুতে হয়তো দু-একটি গাম, পরে তা গড়ায় হাজারে।
তবে এই ‘রঙিন স্মৃতিস্তম্ভ’ শুধু জনপ্রিয়তাই বয়ে আনেনি, বিরক্তি আর সমস্যাও তৈরি করেছে স্থানীয়দের জন্য। দোকানদাররা অভিযোগ করেন, গাম থেকে উৎপন্ন গন্ধ ও আঠালো পরিবেশ ইঁদুরের উপদ্রব বাড়িয়ে তোলে এবং আশপাশের বাজার ব্যবস্থাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে জমা গামের কারণে দেওয়ালের ইটেরও ক্ষয় হতে থাকে।
ফলে ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো গাম ওয়াল পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয় সিয়াটল কর্তৃপক্ষ। স্টিম মেশিনের সাহায্যে ১৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে দীর্ঘ ১৩০ ঘণ্টা ধরে প্রায় ১,০৭০ কেজি চুইংগাম সরানো হয়। এরপর ২০১৮ ও ২০২৪ সালে আরও দুই দফা পরিষ্কার করা হলেও দর্শনার্থীদের চুইংগাম লাগানোর অভ্যাস থেমে থাকেনি।
তবুও এই দেওয়াল যেন হয়ে উঠেছে এক রোমাঞ্চকর চিত্র। অনেকে বিয়ের প্রাক্কালে এখানে ফটোশুট করেন, প্রেমিক-প্রেমিকারা গাম লাগিয়ে রেখে যান ভালোবাসার স্মারক। এমনকি এক শিল্পী গামে আঁকেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত ফুটবল কোচ পিটার ক্লে ক্যারলের প্রতিকৃতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০০টিরও বেশি চুইংগাম ব্যবহার করে তৈরি করেন সেই চিত্রকর্ম।
জীবাণুতে ঠাসা হলেও সিয়াটলের গাম ওয়াল আজ ইতিহাসের অংশ, সংস্কৃতির ব্যতিক্রমী বহিঃপ্রকাশ। যেখানে নোংরা আর সৃষ্টিশীলতার অদ্ভুত মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছে এক অমলিন আকর্ষণ। দেওয়ালের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯০-এর দশকে। এক সময় এটি ছিল ঝকঝকে একটি জায়গা, যেখানে ছোট পরিসরের কমেডি শো ও নাট্যানুষ্ঠানের টিকিট বিক্রি হতো। ১৯৯১ সালে বক্স অফিসটি কিনে নেয় একটি প্রযোজনা সংস্থা। এরপরই কিছু স্থানীয় শিল্পী মজা করে দেওয়ালে চুইংগাম লাগাতে শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শনার্থীরাও এতে যোগ দেন। শুরুতে হয়তো দু-একটি গাম, পরে তা গড়ায় হাজারে।
তবে এই ‘রঙিন স্মৃতিস্তম্ভ’ শুধু জনপ্রিয়তাই বয়ে আনেনি, বিরক্তি আর সমস্যাও তৈরি করেছে স্থানীয়দের জন্য। দোকানদাররা অভিযোগ করেন, গাম থেকে উৎপন্ন গন্ধ ও আঠালো পরিবেশ ইঁদুরের উপদ্রব বাড়িয়ে তোলে এবং আশপাশের বাজার ব্যবস্থাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে জমা গামের কারণে দেওয়ালের ইটেরও ক্ষয় হতে থাকে।
ফলে ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো গাম ওয়াল পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয় সিয়াটল কর্তৃপক্ষ। স্টিম মেশিনের সাহায্যে ১৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে দীর্ঘ ১৩০ ঘণ্টা ধরে প্রায় ১,০৭০ কেজি চুইংগাম সরানো হয়। এরপর ২০১৮ ও ২০২৪ সালে আরও দুই দফা পরিষ্কার করা হলেও দর্শনার্থীদের চুইংগাম লাগানোর অভ্যাস থেমে থাকেনি।
তবুও এই দেওয়াল যেন হয়ে উঠেছে এক রোমাঞ্চকর চিত্র। অনেকে বিয়ের প্রাক্কালে এখানে ফটোশুট করেন, প্রেমিক-প্রেমিকারা গাম লাগিয়ে রেখে যান ভালোবাসার স্মারক। এমনকি এক শিল্পী গামে আঁকেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত ফুটবল কোচ পিটার ক্লে ক্যারলের প্রতিকৃতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০০টিরও বেশি চুইংগাম ব্যবহার করে তৈরি করেন সেই চিত্রকর্ম।
জীবাণুতে ঠাসা হলেও সিয়াটলের গাম ওয়াল আজ ইতিহাসের অংশ, সংস্কৃতির ব্যতিক্রমী বহিঃপ্রকাশ। যেখানে নোংরা আর সৃষ্টিশীলতার অদ্ভুত মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছে এক অমলিন আকর্ষণ।
সূত্র : আনন্দবাজার।
খবরওয়ালা/টিএস