খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 26শে ভাদ্র ১৪৩২ | ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির চেষ্টা করা হলে ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রতিরোধ পর্ষদের ভিপি (সহসভাপতি) পদপ্রার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি।
তাঁর অভিযোগ, ক্যাম্পাসে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ডাকসু নির্বাচন–পরবর্তী সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শেখ তাসনিম আফরোজ বলেন, শিক্ষার্থীরা ভোটের মাধ্যমে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে চান, কিন্তু নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে জটিল করা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, একজন প্রার্থী অবৈধভাবে ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করলেও তাঁকে বের করে দিয়ে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়নি। পরে অন্যান্য প্রার্থীদেরও একইভাবে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরোধ পর্ষদের এজিএস (সহসাধারণ সম্পাদক) পদপ্রার্থী জাবির আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, ভোট শেষ হওয়ার পর শিবির–সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী সাদিক কায়েম ও রায়হান উদ্দিন ভোট গণনা কক্ষে প্রবেশ করেন, যা ডাকসুর নিয়মবহির্ভূত। পোলিং এজেন্টদের বাধার মুখে তাঁদের সেখান থেকে বের হতে হয়। এ ঘটনাই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিবিরের পর ছাত্রদলের প্রার্থীরাও বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য পেশিশক্তি ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন। এতে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জাবির আহমেদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণেই এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি বিশেষ পক্ষকে ভোট কারচুপির মাধ্যমে জিতিয়ে আনতে চাইছে। ভোট গণনার সময় সূক্ষ্ম কারচুপির চেষ্টা হলে শিক্ষার্থীরা তা মেনে নেবে না। সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রম বন্ধ করতে না পারলে এর দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেলের অন্য প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
খবরওয়ালা/আশ