খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: 15শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ | ২৯ই মে ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে ইশরাক সমর্থকরা। আজও বৃষ্টি উপেক্ষা করে তারা মূল ফটক আটকানোর পাশাপাশি ডিএসসিসি সব বিভাগের অফিস গেটে গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) গুলিস্তানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে সকাল থেকে নগর ভবনের ভেতরের ফটকে অবস্থান নিয়েছে তার সমর্থক ও কর্পোরেশনের শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মচারীরা।
এদিকে তারা ‘শপথ শপথ শপথ চাই, ইশরাক ভাইয়ের শপথ চাই,’ ‘মেয়র নিয়ে টালবাহানা, সহ্য করা হবে না’, ‘চলছে লড়াই চলবে, ইশরাক ভাই লড়বে’, ‘নগর পিতা ইশরাক ভাই, আমরা তোমার ভুলি নাই’ এমন স্লোগান দিয়ে যাচ্ছে। তাদের স্লোগানে উত্তাল পুরো নগরভবন।
‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন’ ও ‘ঢাকাবাসীর ব্যানারে’ ইশরাকের সমর্থকেরা নগর ভবনের ভেতরের ফটকে অবস্থান নিয়ে কিছুক্ষণ পরপর নগর ভবন প্রাঙ্গণে মিছিল করছেন। তাদের আন্দোলনের ফলে গেল ১৫ মে থেকে নগর ভবন থেকে দেওয়া সব নাগরিক সেবা বন্ধ রয়েছে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কি কারণে মেয়র হিসেবে ইশরাক ভাইয়ের শপথ পড়ানো আটকে আছে আমাদের জানা নেই। জনগণের মেয়র ইশরাক, প্রতিটি নগরবাসী ইশরাক ভাইকে মেয়র হিসেবে চায়। কিন্তু তারপরও তার দায়িত্ব তাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে না। আমরাও টানা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত নগরভবনের সব সেবা কার্যক্রম বন্ধ করে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া আরেক কর্মচারী সাজেদুর রহমান বলেন, আমাদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে আমরা কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছি। ঢাকার প্রতিটি নাগরিকের মত সিটি কর্পোরেশনের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী থেকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সবাই ইশরাককে মেয়র হিসেবে দেখতে চায়। তারা সবার মেয়র হিসেবে ইশরাকের প্রতি পূর্ণ সমর্থন এবং তার প্রতি আস্থা রয়েছে। যে কারণে সব কাজ বাদ দিয়ে আমরা আমাদের দাবি আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।
প্রসঙ্গত ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হয়। সেসময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক।
খবরওয়ালা/এমইউ