খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 23শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ৭ই মার্চ ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ায় ভারতের মাটিতে আটকা পড়ে অনেক ক্রিকেটারই ‘বন্দিদশার’ মতো পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিলেন। তবে অবশেষে সেই উৎকণ্ঠার মেঘ কেটে যাচ্ছে। আইসিসির (ICC) বিশেষ চার্টার্ড বিমানে চড়ে ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটাররা ধীরে ধীরে ভারত ছাড়ছেন।
ইএসপিএনক্রিকইনফো জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হেরে যাওয়ার পর ইংল্যান্ড দল আজ (শনিবার) সন্ধ্যায় মুম্বাই থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল কয়েক দিন ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিল, তারা রোববার ভিন্ন একটি চার্টার্ড বিমানে কলকাতা ত্যাগ করবে।
| দল | ভারত থেকে উড়ার তারিখ | প্রাথমিক গন্তব্য | পরে গন্তব্য |
|---|---|---|---|
| ইংল্যান্ড | ৭ মার্চ, সন্ধ্যা | লন্ডন | সরাসরি লন্ডন |
| ওয়েস্ট ইন্ডিজ | ৮ মার্চ | জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা | অ্যান্টিগা |
| দক্ষিণ আফ্রিকা (মিশ্র দল) | ৮ মার্চ | নিউজিল্যান্ড | টি–টুয়েন্টি সিরিজ অংশগ্রহণের জন্য |
দক্ষিণ আফ্রিকার কেশব মহারাজ, জেসন স্মিথ ও জর্জ লিন্ডারের মতো খেলোয়াড়রা নিউজিল্যান্ডে ১৫ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া টি–টুয়েন্টি সিরিজে অংশগ্রহণ করবেন। বাকি দলের খেলোয়াড়রা তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল কলকাতায় অবস্থান করছিল। ৪ মার্চ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে দক্ষিণ আফ্রিকা টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ মার্চ সুপার এইটে ভারতের কাছে হেরে বাদ পড়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে ‘ডে সিক্স’ লিখে ভারত থেকে অবস্থান সম্পর্কিত পোস্ট করেছিলেন।
একই সমস্যা জিম্বাবুয়ে দলের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল। ১ মার্চ তাদের শেষ ম্যাচ হলেও দলের একটি অংশ ভারত ছাড়তে পেরেছে ৬ মার্চ। এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার প্রভাব স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।
ভারতে আটকা পড়ে থাকা এই দলগুলো ধীরে ধীরে তাদের নিজস্ব গন্তব্যে পৌঁছালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চলমান পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে ক্রিকেটারদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আইসিসির উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলে মনে করা হচ্ছে।