খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও র্যাব-১১ এর যৌথ অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও চোলাই মদসহ নয়জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাত আনুমানিক ৯টা ২৫ মিনিট থেকে ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত সদর থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
অভিযানকালে আটক ব্যক্তিদের দেহ ও অবস্থান তল্লাশি করে ৪৪টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫ লিটার চোলাই মদ এবং ২৫ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত এসব মাদকদ্রব্য জব্দ তালিকার মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মাদক ও অন্যান্য অপরাধ সংশ্লিষ্ট মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, আটক ব্যক্তিদের কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
| নাম | বয়স | পূর্ববর্তী মামলা/অবস্থা |
|---|---|---|
| মিঠু মিয়া | ৪০ | ৫টি মাদক মামলা চলমান |
| পাভেল | ৩৭ | ৩টি মাদক মামলা চলমান |
| রবিন হোসেন | ৩১ | স্থানীয় অভিযোগ রয়েছে |
| হাসিবুর রহমান জিহাদ | ২৬ | মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগ |
| মাইনদ্দিন | ২৫ | স্থানীয় অপরাধ সংশ্লিষ্ট অভিযোগ |
| শরিফ হোসেন | ৩৭ | মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগ |
| রিফাত মিয়া | ২৫ | সন্দেহভাজন মাদক সম্পৃক্ততা |
| দুলাল মিয়া | ৪০ | পূর্বে অপরাধ সংশ্লিষ্ট অভিযোগ |
| দেলোয়ার হোসেন | ৬২ | বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে |
অভিযান সূত্রে জানা যায়, রাতের সময় সদর এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষ নজরদারি চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক করে তল্লাশি চালালে তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিকল্পিতভাবে কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে পরিচালিত হয়, যাতে একযোগে একাধিক স্থানে কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে যুব সমাজকে লক্ষ্য করে চোলাই মদ ও গাঁজার বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং নিয়মিত অভিযান জোরদার করেছে।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের উৎস ও সরবরাহ চক্র শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত থাকবে এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।