খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 28শে কার্তিক ১৪৩২ | ১২ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল আগামীকাল মুখোমুখি হবে নেপালের বিপক্ষে ফিফা প্রীতি ম্যাচে, আর এই ম্যাচে থাকতে পারেন দুই প্রবাসী মিডফিল্ডার—হামজা চৌধুরী ও সামিত সোম। সোমবার বিকেলে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া লেস্টার সিটির ফুটবলার হামজা চৌধুরী। মঙ্গলবার তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনও করেছেন। অন্যদিকে কানাডা প্রবাসী সামিত সোমের ঢাকায় আসার কথা ছিল মঙ্গলবার রাতে। সবকিছু ঠিক থাকলে নেপাল ম্যাচের আগে অন্তত একটি পূর্ণ অনুশীলন সেশন করতে পারবেন তিনি।
বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা জানিয়েছেন, নেপাল ম্যাচকে শুধু একটি প্রীতি ম্যাচ হিসেবে নয়, বরং ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বাছাই ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। গতকাল জাতীয় দলের অনুশীলন শেষে তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে। পুরো দল নিয়ে কয়েকটি আলোচনা করেছি, মাঠে নামার আগে কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা শুধু বৃহস্পতিবারের ম্যাচ নয়, ভারতের ম্যাচটিকে সামনে রেখেই সবকিছু সাজাচ্ছি।”
আগামীকাল নেপালের বিপক্ষে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। এ ম্যাচকে ধরা হচ্ছে ১৮ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের শেষ হোম ম্যাচের পূর্বাভাস হিসেবে। প্রায় আট মাস পর মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল—এর আগে ২৫ মার্চ শিলংয়ে গোলশূন্য ড্র করেছিল বাংলাদেশ ও ভারত।
ম্যাচের আগে ক্যাবরেরা জানান, “আজ গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুশীলন সেশন হয়েছে, যেখানে দলের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। সামিত বুধবার দলের সঙ্গে যোগ দেবে। তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা চাই, তারা দুজনই ভারতের বিপক্ষে সেরা অবস্থায় থাকুক। তবে আশা করছি, দুজনই নেপালের বিপক্ষে খেলতে পারবে।”
বাংলাদেশ ও ভারতের বাছাইপর্বে টিকে থাকার সম্ভাবনা শেষ হলেও ম্যাচ নিয়ে আগ্রহ কমেনি। অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঐতিহাসিক গুরুত্বেই ম্যাচটি রোমাঞ্চকর হয়ে উঠেছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত চার মুখোমুখি লড়াইয়ের তিনটি ড্র হয়েছে, আর একটিতে জয় পেয়েছে ভারত। বাংলাদেশের শেষ জয় আসে ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে। প্রায় দুই যুগ পর কি ঢাকায় সেই জয়ের খরা ঘুচবে? সেটিই এখন লাল-সবুজ সমর্থকদের বড় প্রত্যাশা।