খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, পাচার করা অর্থ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। তবে এর আগে—এক বছরের মধ্যেই বিদেশে থাকা কিছু সম্পদ জব্দ করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন তিনি।
সোমবার (১৯ মে) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন গভর্নর। এর আগে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘পলাতক পাচারকারীদের জব্দকৃত অর্থ ও শেয়ার দরিদ্র জনগণের কল্যাণ এবং জনহিতকর কাজে ব্যয় করা হবে। এজন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পুরো প্রক্রিয়াটি আইনগত কাঠামোর মধ্যে থেকেই সম্পন্ন করবো। প্রয়োজনে আইনের কিছু ধারা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় কাজ করছে।’
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর জানান, কোনো ব্যক্তি আদালতে দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগেই তার সম্পদ জব্দ করা হলে, তা কীভাবে আইনি কাঠামোর মধ্যে পড়বে—এই বিষয়ে স্পষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘কোর্টের সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো জব্দ কার্যক্রম হবে না। সবই হবে আইন মেনে।’
তিনি আরও জানান, একটি বিশেষ তহবিল গঠনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অন্য অর্থ দিয়ে গঠিত আরেকটি তহবিল থেকে জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর প্রধান এ এফ এম শাহীনুল ইসলাম।
খবরওয়ালা/আরডি