খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরকার সম্প্রতি ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিনকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। গত ২৯ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত ড. শাহাবুদ্দিনকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে ড. শাহাবুদ্দিন দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন, নদী নিয়ন্ত্রণ এবং সেচ ব্যবস্থাপনায় মূলনীতি ও নীতি নির্ধারণের দায়িত্ব পাবেন। তিনি পূর্বে জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর হিসেবে প্রশাসনিক দক্ষতা এবং নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
এদিকে একই সময়ে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখার আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. কামরুজ্জামানকে জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ পদান্তরের ফলে সরকারি প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড আরও সমন্বিত এবং কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন নিয়োগের বিস্তারিত তথ্য নিচের টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| পদ ও নাম | নতুন দায়িত্ব / পদায়ন | পূর্ববর্তী দায়িত্ব | পদমর্যাদা | প্রজ্ঞাপন তারিখ |
|---|---|---|---|---|
| ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন | পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব | জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর | সচিব | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ |
| ড. মো. কামরুজ্জামান | জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর | পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক | সচিব (অতিরিক্ত) | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ |
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পদান্তরের ফলে দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং কার্যকর প্রশাসনিক পরিকল্পনা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ড. শাহাবুদ্দিনের দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং নীতি বাস্তবায়নের দক্ষতা সরকারের এই নতুন পদায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই পদায়নের সঙ্গে সরকারের লক্ষ্য হলো পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ এবং যুগোপযোগী করা, যাতে জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদী উন্নয়ন ও সেচ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব হয়।